IED Explosion

পাকিস্তানে দু’টি পৃথক বিস্ফোরণের ঘটনায় মৃত্যু অন্তত ছ’জন পুলিশের, গুরুতর জখম তিন

পাখতুনখোয়ার ট্যাঙ্ক পুলিশের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, গোমাল থানা এলাকা থেকে ট্যাঙ্কের দিকে যাওয়ার পথে পুলিশের একটি এপিসি (আর্মার্ড পার্সোনেল ক্যারিয়ার) লক্ষ্য করে আইইডি বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। এই হামলায় ছ’জন পুলিশের মৃত্যু হয়েছে।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ১৩ জানুয়ারি ২০২৬ ০৩:১০

— প্রতীকী চিত্র।

পুলিশের দু’টি গাড়ি লক্ষ্য করে দু’টি জায়গায় আইইডি (ইম্প্রোভাইজ়ড এক্সপ্লোসিভ ডিভাইস) বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটল। এই পৃথক দু’টি বিস্ফোরণে অন্তত ছ’জন পুলিশের মৃত্যু হয়েছে। তিন জন গুরুতর জখম। তাদের হাসপাতালে চিকিৎসা চলছে। সোমবার ঘটনা দু’টি খাইবার পাখতুনখোয়ার ট্যাঙ্ক এবং লাকি মারওয়াতে ঘটেছে।

Advertisement

পাখতুনখোয়ার ট্যাঙ্ক পুলিশের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, গোমাল থানা এলাকা থেকে ট্যাঙ্কের দিকে যাওয়ার পথে পুলিশের একটি এপিসি (আর্মার্ড পার্সোনেল ক্যারিয়ার) লক্ষ্য করে আইইডি বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। এই হামলায় ছ’জন পুলিশের মৃত্যু হয়েছে, যাঁদের মধ্যে একজন অতিরিক্ত এসএইচও (স্টেশন হাউস অফিসার) রয়েছেন। মৃতদেহগুলি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ট্যাঙ্ক জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার পর এলাকায় নিরাপত্তা বাহিনীর তল্লাশি অভিযান শুরু হয়েছে।

একই দিনে লাকি মারওয়াতের দারা তাং রোডে আরেকটি আইইডি বিস্ফোরণে অন্তত তিন জন পুলিশ আহত হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, ‘ফিতনা আল খাওয়ারেজ’ জাব্বার খেল এলাকায় কর্তব্যরত পুলিশের এপিসি লক্ষ্য করে এই হামলা চালায়। হামলার পর জেলা পুলিশ অফিসার (ডিপিও) নাজির খান ঘটনাস্থলে পৌঁছোন এবং এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা বাড়াতে বলেন।

এই ঘটনার পর পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ় শরিফ দ্রুত তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি জানান, যারা এর সঙ্গে যুক্ত তাদের দোষী সাবস্ত করা হবে। তিনি আবারও দেশ থেকে সন্ত্রাসবাদ নির্মূল করার বার্তা দেন। পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আসিফ আলি জ়ারদারি ছ’জন পুলিশের মৃত্যুতে গভীর শোকপ্রকাশ করেছেন এবং তাদের সাহসিকতার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন। মহসিন নকভি এব‌ং আয়াজ সাদিক এই হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। পুলিশ আধিকারিকদের থেকে রিপোর্ট চেয়েছেন খাইবার পাখতুনখোয়ার গভার্নর ফয়সাল করিম কুন্দি। তিনি মৃতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।

খাইবার পাখতুনখোয়ায় পুলিশের উপর হামলার ঘটনা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। জানুয়ারি মাসের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত পেশোয়ার, বান্নু, বাজাউর এবং খাইবার জেলায় বেশ কয়েকজন পুলিশ সদস্য ও সিটিডি কর্মকর্তার মৃত্যু হয়েছে। গত ডিসেম্বরেও কারাক ও লাকি মারওয়াতে পুলিশের উপর হামলায় বেশ কয়েক জন সদস্য প্রাণ হারান।

Advertisement
আরও পড়ুন