(বাঁ দিকে) আব্দিরহমান মহম্মদ আব্দুল্লাহি এবং বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু (ডানদিকে)। — ফাইল চিত্র।
‘স্বাধীন এবং সার্বভৌম রাষ্ট্র’ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছিল গত ২৬ সেপ্টেম্বর। এ বার আফ্রিকার দেশ সোমালিয়া ভেঙে তৈরি হওয়া সোমালিল্যান্ড সফরে গেলেন ইজ়ারায়েলে বিদেশমন্ত্রী গিদন মোশে সার। মঙ্গলবার সোমালিল্যান্ডের রাজধানী হারগেইসায় পৌঁছে সে দেশের প্রেসিডেন্ট আব্দিরহমান মহম্মদ আব্দুল্লাহি-সহ শীর্ষকর্তাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন তিনি।
আফ্রিকার দেশগুলির যৌথমঞ্চ আফ্রিকান ইউনিয়ন মঙ্গলবার ইজরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর সরকারের এই পদক্ষেপের নিন্দা করে অবিলম্বে সোমালিল্যান্ডের স্বীকৃতি প্রত্যাহারের দাবি তুলেছে। সংগঠনের ‘শান্তি, নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক বিষয়ক পরিষদ’ জানিয়েছে, সোমালিয়ার অখণ্ডতার প্রশ্নে কোনও আপস করা হবে না।
ইজ়রায়েলই বিশ্বের প্রথম দেশ যারা সোমালিল্যান্ডকে রাষ্ট্রের স্বীকৃতি দিয়েছে। ঘটনাচক্রে, সোমালিয়া এবং সোমালিল্যান্ড দু’টিই মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ। পশ্চিম এশিয়ায় শত্রুদের চাপে রাখতেই এ বার নেতানিয়াহু আফ্রিকায় এক মুসলিম দেশের সঙ্গে কৌশলগত অংশীদারির পথে হাঁটছেন বলে কূটনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশের ধারণা। তেল আভিভের পদক্ষেপের নিন্দা করে সোমালিয়া বলেছে, ‘‘এই ঘটনা আমাদের সার্বভৌমত্বের উপর বেআইনি আক্রমণ।’’ এখনও পর্যন্ত সোমালিল্যান্ডকে রাষ্ট্রপুঞ্জ স্বীকৃতি দেয়নি। আফ্রিকার রাষ্ট্রগোষ্ঠীও কোনও অবস্থাতেই সোমালিল্যান্ডকে স্বীকৃতি দেওয়া হবে না বলে জানিয়ে দিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে ইজ়রায়েলি বিদেশমন্ত্রীর এই সফর ঘিরে শুরু হয়েছে বিতর্ক।