Bangladesh General Election

আওয়ামী লীগের ‘নিরপরাধ’ ভোটারদের পাশে থাকার আশ্বাস, সংখ্যালঘুদের উদ্দেশেও বার্তা দিলেন‌ বিএনপি শীর্ষনেতা

সভায় মির্জার কটাক্ষ, “এ বার তো নৌকা নেই। নৌকা পালিয়েছে। শেখ হাসিনা ভারতে চলে গিয়েছে। মাঝখানে তাঁর সমর্থনকারীদের বিপদের মধ্যে ফেলে গিয়েছে। আমরা সেই বিপদে তাঁদের পাশে দাঁড়িয়েছি।”

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ২৯ জানুয়ারি ২০২৬ ০০:৪০
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ছবি: সংগৃহীত।

সামনেই বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের নির্বাচন। বুধবার বিকেলে নিজ নির্বাচনী এলাকা ঠাকুরগাঁও-১ আসনের মোলানি বাজার এলাকায় এক পথসভায় যোগ দেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। সেখানে তিনি বলেন, “আওয়ামী লীগের নিরাপরাধ সমর্থনকারীদের পাশে বিএনপি থাকবে।”

Advertisement

সভায় মির্জার কটাক্ষ, “এ বার তো নৌকা নেই। নৌকা পালিয়েছে। শেখ হাসিনা ভারতে চলে গিয়েছে। মাঝখানে তাঁর সমর্থনকারীদের বিপদের মধ্যে ফেলে গিয়েছে। আমরা সেই বিপদে তাঁদের পাশে দাঁড়িয়েছি।” তাঁর সংযোজন, ‌“আমরা পরিষ্কার ভাবে বলছি হিন্দু ভাই-বোনদের, আপনারা কোনও চিন্তা করবেন না। আমরা আছি আপনাদের পাশে। যারা অন্যায় করছে, তাদেরই শুধু শাস্তি হবে। যারা অন্যায় করেনি, সাধারণ মানুষ, তাদেরকে আমরা বুকের মধ্যে রেখে দেব, আগলে রাখব।”

২০১৪ সালের নির্বাচনে বিএনপি প্রতিরোধের ডাক দিয়েছিল উল্লেখ করে মির্জা বলেন, “প্রিসাইডিং অফিসার হত্যা মামলায় এই ছেপড়িকুড়ি এলাকার মানুষের অনেক কষ্ট হয়েছে। প্রচণ্ড শীতের মধ্যে দিনের পর দিন, রাতের পর রাত আপনারা ধানখেতে ছিলেন, বহু ঝামেলা হয়েছে। পরবর্তীতে আদালতের মাধ্যমে সেই ঝামেলা শেষ করা গিয়েছে।” দেশে জিনিসপত্রের দাম বেড়েছে, তবে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আগের চেয়ে এখন ভাল হয়েছে বলে মনে করেন মির্জা। তিনি বলেন, “সব মিলিয়ে এখন একটা সময় এসেছে যেখানে রাতে আমরা শান্তিতে ঘুমাতে পারছি।” তাঁর বিশ্বাস, “যদি নির্বাচনটা ঠিকমতো হয় এবং আমরা ঠিকমতো ভোট দিয়ে একটা সরকার নির্বাচন করতে পারি, তা হলে আমরা ভাল থাকব।”

এটাই তাঁর শেষ নির্বাচন উল্লেখ করে মির্জা বলেন, “এই শেষ ভোটে আপনারা আমাকে দয়া করে সমর্থন করবেন। আগামী ১২ তারিখের নির্বাচনে আপনাদের সিদ্ধান্ত দিতে হবে যে আপনারা কী চান। দেশে যদি শান্তি চান, উন্নয়ন চান, স্কুল-কলেজের উন্নয়ন চান, রাস্তাঘাট চান, ছেলেমেয়েদের চাকরি চান, তা হলে পরীক্ষিত যে দলটা আছে, মানুষটা আছে, তাকেই ভোট দিতে হবে।”

Advertisement
আরও পড়ুন