Osman Hadi- Muhammad Yunus

বাংলাদেশবাসীকে সংযত থাকার আবেদন, হাদির মৃত্যুর পর জাতির উদ্দেশে ভাষণ ইউনূসের, শনিবার রাষ্ট্রীয় শোক

আগামী শনিবার শোক দিবস হিসাবে পালন করা হবে। বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত থাকবে। শুক্রবার আয়োজন করা হবে বিশেষ নমাজের।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫ ২৩:১২
মুহাম্মদ ইউনূস।

মুহাম্মদ ইউনূস। — ফাইল চিত্র।

ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান হাদির প্রয়াণের পরে বৃহস্পতিবার রাতে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিলেন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস। দেশবাসীকে ‘ধৈর্য ও সংযম’ বজায় রাখার আবেদন জানান তিনি। হাদির মৃত্যুতে আগামী শনিবার শোকদিবস পালন করা হবে বলেও জানান। বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত থাকবে। শুক্রবার আয়োজন করা হবে বিশেষ নমাজ প্রার্থনার। সেই সঙ্গে তিনি জানান, ওসমানের স্ত্রী ও সন্তানের দায়িত্ব গ্রহণ করবে সরকার।

Advertisement

ইউনূস জানান, হাদি ছিলেন সন্ত্রাসবাদের শত্রু। তাঁকে হত্যা করে মানুষের কণ্ঠরোধ করতে পারবে না গণতন্ত্রের শত্রুরা। ‘শহিদ’-এর প্রতি সম্মান জানাতে তাঁর বার্তা, হাদির আদর্শ ও ত্যাগকে ধৈর্যে পরিণত করে নির্বাচন ও গণতন্ত্রের মঞ্চ থেকে লড়াই করতে হবে। গণতান্ত্রিক ভাবে সন্ত্রাসবাদীদের পরাজিত করেই প্রকৃত শ্রদ্ধা জানানো সম্ভব।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে বাংলাদেশ। এই সময় কেউ যাতে ষড়যন্ত্রকারীদের ফাঁদে পা না দেন।

গত শুক্রবার দুপুরে ঢাকার রাস্তায় গুলিবিদ্ধ হন জুলাই আন্দোলনের অন্যতম নেতা তথা ঢাকা-৮ আসনের প্রার্থী ওসমান। গুলি করা হয়েছিল মাথা লক্ষ্য করে। এর পরে অন্তর্বর্তী সরকারের তৎপরতায় তাঁকে সিঙ্গাপুরে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়। বৃহস্পতিবার রাত পৌনে ১০টা নাগাদ চিকিৎসাধীন অবস্থাতেই মৃত্যু হয় তাঁর। মৃত্যুর খবর প্রকাশ্যে আসতেই শাহবাগে জমায়েত করেন বহু মানুষ। উত্তেজনা দেখা যায় ঢাকাতেও। চট্টগ্রামে ভারতের উপদূতাবাসের সামনে বিক্ষোভ দেখান বেশ কয়েক জন। এই পরিস্থিতিতে জাতির উদ্দেশে ভাষণে সংযত থাকার আবেদন জানান ইউনূস।

ওসমানের মৃত্যুর ঘটনায় বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় নাগরিক পার্টি-র পক্ষ থেকেও শোকপ্রকাশ করা হয়েছে। জানানো হয়েছে, হত্যাকারীর উপযুক্ত শাস্তির দাবি। জানা গিয়েছে, আগামিকাল সন্ধ্যায় ওসমানের দেহ বাংলাদেশে নিয়ে আসা হবে।

Advertisement
আরও পড়ুন