Donald Trump on Iran Conflict

বিরতিতে ইতি টেনে ইরানের সঙ্গে কি আবার যুদ্ধে নামবে আমেরিকা? ইঙ্গিত দিয়ে ট্রাম্প বললেন, ‘এখনও শেষ হইনি’

ফক্স বিজ়নেসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরানে হামলার পদক্ষেপ জরুরি ছিল। তাঁর কথায়, ‘‘আমায় ওটা করতেই হত। কারণ, তা না করলে আজ ইরানের হাতে পরমাণু অস্ত্র থাকত।’’

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ১৫ এপ্রিল ২০২৬ ১০:৫৯
ডোনাল্ড ট্রাম্প।

ডোনাল্ড ট্রাম্প। — ফাইল চিত্র।

ইরানের সঙ্গে ইসলামাবাদে প্রথম দফার শান্তিবৈঠক ভেস্তে গিয়েছে আমেরিকার। দ্বিতীয় দফার শান্তি বৈঠক নিয়ে প্রস্তুতি চলছে। এর মধ্যেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এবিসি নিউজ়কে মঙ্গলবার (আমেরিকার সময়ে) জানান, তেহরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বৃদ্ধি নিয়ে তিনি আর ভাবনাচিন্তা করছেন না। যদিও কয়েক ঘণ্টা পরে বুধবার ট্রাম্প দাবি করেন, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ ‘শেষের পথে’। তবে আমেরিকা এখনও শেষ হয়ে যায়নি বলেও দাবি করেছেন ট্রাম্প।

Advertisement

ফক্স বিজ়নেসকে দেওয়া একটি সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, ‘‘আমার মনে হয়, এটা প্রায় শেষের পথে। শেষ হওয়ার খুব কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছি বলেই মনে করছি।’’ ইসলামাবাদে দুই পক্ষের শান্তি আলোচনা ভেস্তে যাওয়ার পরে হরমুজ় অবরুদ্ধ করে রেখেছে আমেরিকার নৌসেনা। সেখানে মোতায়েন রয়েছে বহু মার্কিন যুদ্ধজাহাজ। এর ফলে সেখান থেকে ফিরে যাচ্ছে বহু জাহাজ। এই পরিস্থিতিতে ট্রাম্প দাবি করেন, সংঘাত প্রায় শেষের পথে। যদিও তার পরের মুহূর্তে তিনি আবার দাবি করেন, আমেরিকা এখনও শেষ হয়ে যায়নি। তাঁর কথায়, ‘‘আমি এখনই সব কিছু গুটিয়ে নিলে ওদের দেশ পুনর্গঠন করতে আরও ২০ বছর সময় লাগবে। আমরা কিন্তু এখনও শেষ হইনি।’’ তার পরে ট্রাম্প আরও বলেন, ‘‘দেখব কী হয়। আমার মনে হয়, ওরা যেনতেন ভাবে চুক্তি করতে চায়।’’

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ইরানে হামলা চালাচ্ছে ইজ়রায়েল এবং আমেরিকা। প্রত্যাঘাত করছে তেহরানও। সংঘাতে মৃত্যু হয়েছে ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেইয়ের। ফক্স বিজ়নেসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরানে হামলার পদক্ষেপ জরুরি ছিল। তাঁর কথায়, ‘‘আমার ওটা করতেই হত। কারণ, তা না করলে আজ ইরানের হাতে পরমাণু অস্ত্র থাকত। সেখানে সকলকে আপনাদের স্যর বলতে হত। আপনারা নিশ্চয়ই তা করতে চান না।’’

মঙ্গলবার ট্রাম্প জানিয়েছিলেন, পরের দু’দিনের মধ্যে ইরানের সঙ্গে দ্বিতীয় দফার শান্তি আলোচনা হতে পারে। ইসলামাবাদে তা হতে পারে বলেও ইঙ্গিত দেন ট্রাম্প। কেন প্রথম বৈঠকে রফাসূত্র মেলেনি, সেই নিয়ে আমেরিকার ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভান্স মনে করেন, শান্তি আলোচনার সাফল্যের নেপথ্যে বড় বাধা ওয়াশিংটন এবং তেহরানের মধ্যে দীর্ঘ দিন ধরে তৈরি হওয়া অবিশ্বাস! সেই অবিশ্বাস না-কাটলে রফাসূত্র বার হওয়া বস্তুত কঠিন। আর এই অবিশ্বাসের রাতারাতি সমাধান করা সম্ভব নয় বলেই মনে করেন ভান্স। তিনি জোর দেন, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে অবিশ্বাস কেটে যাবে। মিলবে সমাধান।

Advertisement
আরও পড়ুন