US-Iran Conflict

‘আজকেই আবার ইরানের উপর হামলা হবে’, ট্রাম্প এ বার নতুন করে যুদ্ধের সূচনার কারণও জানিয়ে দিলেন

চলতি সপ্তাহের গোড়ায় নতুন করে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে পশ্চিম এশিয়া। হরমুজ় প্রণালীর কাছে মার্কিন সেনার হেলিকপ্টার ভেঙে পড়ার পর ইরানকে দায়ী করেছিলেন ট্রাম্প।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ১০ জুন ২০২৬ ২২:৪৫
বাঁ দিকে) মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনেই (ডান দিকে)।

বাঁ দিকে) মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনেই (ডান দিকে)। —ফাইল চিত্র।

মঙ্গলবার রাতে (আমেরিকার সময়) তিনি জানিয়েছিলেন সমঝোতার জন্য ইরান অনেক দেরি করে ফেলেছে। তার মূল্য চোকাতে হবে তাদের। বুধবার সকালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা করলেন, এ দিনই শুরু হবে হামলা। তিনি জানিয়েছেন, তেহরানের ড্রোন একটি মার্কিন অ্যাপাচে হেলিকপ্টারে আঘাত করার কারণেই নতুন করে হামলা শুরু হবে। তিনি বলেন, ‘‘আমরা তাদের উপর হামলা চালাব, খুব কঠোর ভাবে হামলা চালাব। আমরা গতকাল তাদের কঠোর ভাবে আঘাত করেছি, আজ আবার কঠোর ভাবে আঘাত করব।’’

Advertisement

চলতি সপ্তাহের গোড়ায় নতুন করে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে পশ্চিম এশিয়া। হরমুজ় প্রণালীর কাছে মার্কিন সেনার হেলিকপ্টার ভেঙে পড়ার পর ইরানকে তার জন্য দায়ী করেছিলেন ট্রাম্প। এর পরেই হরমুজ় সংলগ্ন ইরানের ঘাঁটিগুলিকে নিশানা করে হামলা চালিয়েছিল পশ্চিম এশিয়ার দায়িত্বপ্রাপ্ত মার্কিন সেনার সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টিকম)। তার জবাবে পশ্চিম এশিয়ার বাহরিন, কুয়েতের মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা চালায় ইরান। এই হামলা-পাল্টা হামলার মধ্যেই বুধবার একটি সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, ‘‘দীর্ঘস্থায়ী শান্তিচুক্তি খুঁজে বের করার প্রচেষ্টা চলতে থাকলেও এই নতুন সংঘর্ষ শুরু হয়েছে। আমরা সত্যিই একটি চুক্তির খুব কাছাকাছি ছিলাম, কিন্তু তারা বার বার আমাদের ঝুলিয়ে রাখছে, আমাদের বোকা বানানোর চেষ্টা করছে।”

ফক্স নিউজকে দেওয়া ওই সাক্ষাৎকারে আগে ট্রাম্প সমাজমাধ্যমে লিখেছিলেন, ‘‘ইরানের সামরিক বাহিনী সম্পূর্ণ বিশৃঙ্খল। ওদের বায়ুসেনা এবং নৌসেনার মতো সামরিক বাহিনীর অধিকাংশেরই আর অস্তিত্ব নেই। ওরা সম্পূর্ণ পরাজিত হয়েছে। ইরান শুধু মুখেই কথা বলে, কাজ করে না। পশ্চিম এশিয়ার ত্রাস এখন ধ্বংসপ্রাপ্ত। ওরা চুক্তির জন্য সমঝোতা করতে অনেক বেশি সময় নিয়ে ফেলেছে। চুক্তি করলে তা ওদের জন্য খুব ভাল হত। কিন্তু এখন ওদের মূল্য চোকাতে হবে।’’ তবে সেই সঙ্গেই তিনি লিখেছিলেন, ‘‘ইরানের এখনও একটি স্থায়ী শান্তিচুক্তি নিয়ে আলোচনার সুযোগ রয়েছে। কিন্তু সে দেশের শাসকেরা সময়ক্ষেপণ করছেন।’’ পরে ফক্স নিউজকে ট্রাম্প জানান, তিনি ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোতে নতুন হামলার নির্দেশ দেওয়ার খুব কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তা থেকে নিজেকে বিরত রেখেছিলেন। তবে নতুন করে হামলায় ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্র এবং সেতুগুলিকেও ধ্বংস করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন তিনি।

Advertisement
আরও পড়ুন