Global Report on Food Crises

খাদ্য সঙ্কটের মুখে বিশ্ব, দুই-তৃতীয়াংশ অভুক্তের বাস ১০ দেশে, ভারতের চার প্রতিবেশীও তালিকায়! জানাল রাষ্ট্রপুঞ্জ

‘গ্লোবাল রিপোর্ট অন ফুড ক্রাইসিস’ শীর্ষক রিপোর্টে জানানো হয়েছে, ১০টি দেশ প্রবল খাদ্য সঙ্কটের মুখোমুখি। ওই দেশগুলিতেই বিশ্বের মোট অনাহারক্লিষ্ট মানুষের দুই-তৃতীয়াংশের বাস।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ২৫ এপ্রিল ২০২৬ ১৬:১১
Global report says, 266 million people in 47 countries and territories faced high levels of acute food insecurity

প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।

বিশ্ব জুড়ে খাদ্য সঙ্কট ক্রমশই মাথা চাড়া দিচ্ছে। বাড়ছে অনাহার। ২০২৬ সালের শেষপর্বে সঙ্কট আরও তীব্র হতে পারে বলে সতর্কবার্তা দেওয়া হল রাষ্ট্রপুঞ্জে পেশ হওয়া একটি রিপোর্টে। কয়েকটি আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞ সংস্থার তৈরি ‘গ্লোবাল রিপোর্ট অন ফুড ক্রাইসিস’ শীর্ষক ওই বার্ষিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে বর্তমানে বিশ্বের ৪৭টি দেশের অন্তত ২৬ কোটি ৬০ লক্ষ মানুষ অনাহারের সমস্যার সঙ্গে লড়াই করছেন।

Advertisement

গত বছরের রিপোর্টে সুদান এবং গাজ়াকে ‘দুর্ভিক্ষপীড়িত’ হিসাবে চিহ্নিত করা হয়েছিল। এ বারের রিপোর্টে ২০২৫ সালের পরিসংখ্যান তুলে ধরে জানানো হয়েছে, ১০টি দেশ প্রবল খাদ্য সঙ্কটের মুখোমুখি। এই দেশগুলিতেই বিশ্বের মোট অনাহারক্লিষ্ট মানুষের দুই-তৃতীয়াংশের বাস। ভারতের চার পড়শি দেশ পাকিস্তান, আফগানিস্তান, বাংলাদেশ এবং মায়ানমার রয়েছে এই তালিকায়। এ ছাড়া তীব্র খাদ্য নিরাপত্তাহীনতা যে দেশগুলিকে গ্রাস করেছে তার মধ্যে রয়েছে, ডিআর কঙ্গো, নাইজ়িরিয়া, দক্ষিণ সুদান, সুদান, সিরিয়া এবং ইয়েমেন।

ঘটনাচক্রে ওই ছ’টি দেশই গৃহযুদ্ধ এবং সন্ত্রাসকবলিত। রাষ্ট্রপুঞ্জে পেশ করা খাদ্য সঙ্কট সংক্রান্ত বার্ষিক প্রতিবেদনে অনাহারের মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সাহায্য দ্রুত কমে যাওয়ার বিষয়টি নিয়েও উৎকণ্ঠা প্রকাশ করা হয়েছে। বলা হয়েছে, পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে খাদ্য সঙ্কট আরও ভয়াবহ আকার ধারণ পারে। কারণ, একদিকে যুদ্ধবিধ্বস্ত অঞ্চলে বাস্তুচ্যুত মানুষের সংখ্যা বাড়ছে। অন্য দিকে চাষের খরচ বাড়ছে দ্রুতগতিতে। প্রসঙ্গত, চলতি মাসের গোড়াতেই আন্তর্জাতিক অর্থভান্ডার (আইএমএফ), বিশ্ব ব্যাঙ্ক এবং ওয়র্ল্ড ফুড প্রোগ্রাম গোটা বিশ্বকে খাদ্যপণ্যের চড়া দাম ও খাদ্য সঙ্কট নিয়ে সতর্ক করে দিয়েছে। এ জন্য পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ এবং সেই কারণে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারের সঙ্কটকেই মূলত দায়ী করেছে তারা।

Advertisement
আরও পড়ুন