US-Iran Conflict

‘চক্রান্তে লিপ্ত’, ইরানে কর্মরত ১৩৯ বিদেশি গ্রেফতার! আরব সাগরে ড্রোন নিশানা করে মার্কিন হামলা

হরমুজ প্রণালী এমন এক সংকীর্ণ জলপথ, যেখানে সামান্য অস্থিরতাও বিশ্ব জ্বালানি বাজার ও আন্তর্জাতিক জলপথ পরিবহণ ব্যবস্থায় আঘাত হানতে পারে। সেই কৌশলগত অবস্থানের সুযোগ নিয়েই পাল্টা আগ্রাসনের পথে হাঁটতে চাইছে ইরান।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ২৩:৩৩

— প্রতীকী চিত্র।

সরকারবিরোধী বিক্ষোভে জড়িত থাকার অভিযোগে ১৩৯ জন বিদেশি নাগরিককে গ্রেফতার করল ইরান। তবে ধৃতদের নাগরিকত্ব এখনও প্রকাশ করা হয়নি। মঙ্গলবার ইরানের সরকারি সংবাদসংস্থা তাসনিম এ কথা জানিয়েছে।

Advertisement

প্রকাশিত বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘ধৃতেরা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারীদের সংগঠিত করা, হিংসায় উস্কানি দেওয়া ও ষড়যন্ত্রে জড়িত ছিলেন। কিছু ক্ষেত্রে তাঁরা দেশের বাইরে থাকা নেটওয়ার্কের সঙ্গেও যোগাযোগ করেছেন’। প্রসঙ্গত, গত ২৭ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া গণবিক্ষোভে ইরানে প্রায় ১০ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে। কয়েকটি মানবাধিকার সংগঠনের দাবি, ১৫ হাজারের বেশি বিক্ষোভকারীকে খুন করে ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতোল্লা খামেনেইয়ের বাহিনী। এই পরিস্থিতি ঘিরে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে উত্তেজনা ক্রমেই বাড়ছে।

এরই মধ্যে আরব সাগরে মার্কিন বিমানবাহী যুদ্ধজাহাজ ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কন থেকে উড়ে একটি যুদ্ধবিমান মঙ্গলবার ইরানের একটি ড্রোনকে গুলি করে নামিয়েছে। ডিসেম্বরের তৃতীয় সপ্তাহে দক্ষিণ চিন সাগর থেকে যাত্রা শুরু করেছিল নিমিৎজ-শ্রেণির ওই বিমানবাহী রণতরীর সঙ্গী তিনটি আর্লে বার্ক-শ্রেণির ডেস্ট্রয়ারও পশ্চিম এশিয়ার উদ্দেশে রওনা দিয়েছিল। গত সপ্তাহে তারা ইরান উপকূলের অদূরে ঘাঁটি গেড়েছে। তার পরেই রবিবার থেকে আরব সাগর লাগোয়া হরমুজ প্রণালীতে ‘লাইভ ফায়ার ড্রিল’ (সরাসরি গোলাবর্ষণ মহড়া) শুরু করেছিল ইরানের নৌসেনা। সংবাদসংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, সেই মহড়া চলাকালীন ইরানের একটি শাহিদ-১৩৯ ড্রোনটি লিঙ্কনের দিকে উড়ে যাওয়ার সময় একটি মার্কিন এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান সেটিতে গুলি করে নামায়।

Advertisement
আরও পড়ুন