ডোনাল্ড ট্রাম্প। —ফাইল চিত্র।
ইজ়রায়েলের জেরুসালেমে রাতভর ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালাল ইরান। ইজ়রায়েলি সংবাদমাধ্যম ‘টাইম্স অফ ইজ়রায়েল’-এর প্রতিবেদন অনুসারে, ঘন ঘন সাইরেনের শব্দ শোনা যাচ্ছে জেরুসালেমে। বিস্ফোরণের শব্দও পাওয়া গিয়েছে। ইজ়রায়েলি সেনা জানিয়েছে, তারা আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা (এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম)-এর মাধ্যমে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্রগুলিকে প্রতিহত করছে।
সেনেটের ফলে স্বস্তিতে ট্রাম্প। তার পরেই ট্রাম্পের দাবি, আমেরিকা এখন পশ্চিম এশিয়ায় শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে। দেশের সেনাবাহিনীর প্রশংসা করে ট্রাম্প তাদের ১০-এ ১৫ দিয়েছেন। বুধবার হোয়াইট হাউসে তিনি বলেন, “যুদ্ধক্ষেত্রে আমরা ভাল কাজ করছি। কেউ কেউ বলছেন ১০-এ আপনি কত দেবেন? আমি বলছি ওই ১৫-র মতো।”
মার্কিন আইনসভার উচ্চকক্ষ সেনেট ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার ‘ছাড়পত্র’ দিল ডোনাল্ড ট্রাম্পকে। মার্কিন কংগ্রেসকে এড়িয়ে একক সিদ্ধান্তে ট্রাম্প সামরিক অভিযান চালানোর সিদ্ধান্ত নিতে পারেন কি না, এই প্রশ্ন তুলেছিলেন বিরোধী দল ডেমোক্রেটিক পার্টির অনেকেই। ইরানে ট্রাম্পের সামরিক নীতির বিরুদ্ধে প্রস্তাব পেশ করা হয়েছিল। ভারতীয় সময় অনুযায়ী, ভোরে প্রস্তাবটি নিয়ে সেনেটে ভোটাভুটি হয়। প্রস্তাবের পক্ষে ভোট পড়ে ৪৭টি। বিপক্ষে ৫৩টি। অর্থাৎ, ট্রাম্পের সামরিক নীতি বহাল রাখার পক্ষেই রায় দেয় মার্কিন সেনেট। ডেমোক্র্যাটদের অভিযোগ, কংগ্রেসকে এড়িয়ে প্রতি দিন ভিন্ন ভিন্ন যুক্তি দিয়ে যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছেন ট্রাম্প। সেনেটের ডেমোক্র্যাট সদস্যদের প্রায় সকলেই প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দেন। ট্রাম্পের দল রিপাবলিকান পার্টির সদস্যেরা বিপক্ষে ভোট দেন। তবে বেশ কয়েক জন রিপাবলিকান সদস্য জানিয়েছেন, যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী হলে তাঁরা বিকল্প কিছু ভাববেন।