US-Iran Agreement

‘আমেরিকা এবং ইরানের মধ্যে মধ্যস্থতা চালিয়ে যাব’, জানাল ইসলামাবাদ, ব্যর্থ শান্তিবৈঠক নিয়ে অবস্থান জানাল তেহরান

রবিবার পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী তথা বিদেশমন্ত্রী ইশাক দার বলেন, ‘‘আগামী দিনেও ইরান এবং আমেরিকার মধ্যে আলোচনা এবং বোঝাপড়ার ক্ষেত্রে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করে যাবে পাকিস্তান।”

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ১২ এপ্রিল ২০২৬ ১৬:১৫
(বাঁ দিকে) মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভান্স এবং ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ (ডান দিকে)।

(বাঁ দিকে) মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভান্স এবং ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ (ডান দিকে)। —ফাইল চিত্র।

আমেরিকা এবং ইরানের মধ্যে মধ্যস্থতা চালিয়ে যাবে পাকিস্তান। রবিবার এমনটাই জানিয়েছেন সে দেশের উপপ্রধানমন্ত্রী তথা বিদেশমন্ত্রী ইশাক দার। তিনি বলেন, “আগামী দিনেও ইরান এবং আমেরিকার মধ্যে আলোচনা এবং বোঝাপড়ার ক্ষেত্রে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করে যাবে পাকিস্তান।”

Advertisement

পাকিস্তানের বিদেশমন্ত্রী এ-ও জানিয়েছেন যে, দু’পক্ষকে আলোচনার টেবিলে বসাতে তিনি এবং পাক সেনার ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির কার্যকরী ভূমিকা নিয়েছিলেন। একই সঙ্গে দার জানিয়েছেন, আঞ্চলিক সুস্থিতি এবং দীর্ঘমেয়াদি শান্তিরক্ষায় আমেরিকা এবং ইরান উদ্যোগী হবে বলে তিনি আশাপ্রকাশ করেন।

অন্য দিকে, ইসলামাবাদের শান্তিবৈঠক কী কারণে ভেস্তে গেল, ফের তা ব্যাখ্যা করেছে ইরান। ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ দাবি করেন, তেহরানের আস্থা অর্জনে ব্যর্থ হয়েছে ওয়াশিংটন। তাঁর কথায়, “ইরানের প্রতিনিধিদল ইতিবাচক উদ্যোগ নিয়েছিল। কিন্তু (আলোচনার) উল্টো দিকে যাঁরা ছিলেন, তাঁরা ইরানের প্রতিনিধিদের আস্থা অর্জনে ব্যর্থ হয়‌েছেন।”

শনিবারের শান্তিবৈঠক শেষে আমেরিকার ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভান্স দাবি করেছিলেন, ইরান তাঁদের সঙ্গে ঠিকমতো সহযোগিতা করতে রাজি হয়নি। বৈঠক ব্যর্থ হয়েছে। তাঁরা তাই আমেরিকার উদ্দেশে রওনা হচ্ছেন। বৈঠক ব্যর্থ হওয়ার পুরো দায় তেহরানের উপরেই চাপায় আমেরিকা। শুধু তা-ই নয়, ইরানের ‘অনমনীয়’ মনোভাবেরও সমালোচনা করা হয় আমেরিকার তরফে। তবে ইরান অন্য দাবি করে। তাদের পাল্টা দাবি, আমেরিকা এমন কিছু ‘অযৌক্তিক দাবি’ করছিল, যেগুলি দেশের সার্বভৌমত্বের স্বার্থে, দেশের মানুষের নিরাপত্তার স্বার্থে কোনও ভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।

ভান্স জানান, ইরানকে পরমাণু কর্মসূচি থেকে বিরত থাকার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। ওরা সেটা মানতে রাজি হয়নি। তাঁর কথায়, ‘‘ইরানের কাছ থেকেই আমরা এই আশ্বাসই পেতে চেয়েছিলাম যে, ওরা পরমাণু কর্মসূচি চালাবে না। পরমাণু অস্ত্র নিয়ে গবেষণা করবে না। আর এটাই মার্কিন প্রেসিডেন্টের মূল লক্ষ্য ছিল। আমরা আলোচনার মাধ্যমে সেই আশ্বাস পেতে চেয়েছিলাম। কিন্তু আমরা আশাহত হয়েছি। আলোচনা ব্যর্থ হয়েছে।’’

Advertisement
আরও পড়ুন