West Bengal Assembly Election 2026

‘মধ্যরাত থেকে অপারেশন শুরু হবে শুনেছি, গ্রেফতার করার চেষ্টা হবে অনেককে’, বর্ধমানের সভায় আশঙ্কা প্রকাশ মমতার

খণ্ডঘোষের সভায় ফের দলীয় কর্মীদের ইভিএম, ভোটের গণনা নিয়ে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেন মুখ্যমন্ত্রী। মঞ্চে বসে থাকা দলের নেতা-কর্মীদের দিকে ঘুরে তিনি বলেন, “ভোটের মেশিন নিয়ে খুব সাবধান। এদের প্ল্যান হল স্লো ভোটিং, স্লো কাউন্টিং।”

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা
শেষ আপডেট: ১২ এপ্রিল ২০২৬ ২০:০৫
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। —ফাইল চিত্র।

ভোটের আগে অনেককে গ্রেফতার করার চেষ্টা হবে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রবিবার পূর্ব বর্ধমানের খণ্ডঘোষের সভায় তিনি বলেন, “অনেককে গ্রেফতার করার চেষ্টা হবে।” একই সঙ্গে তাঁর সংযোজন, “আজ মধ্যরাত থেকে অপারেশন শুরু হবে শুনেছি। খবর আমরাও পাই।”

Advertisement

সম্প্রতি তৃ়ণমূলের প্রথম সারির একাধিক নেতা-মন্ত্রীকে তলব করেছে ইডি। রেশন দুর্নীতি মামলায় তলব করা হয়েছে রাজ্যের দুই বিদায়ী মন্ত্রী তথা এই নির্বাচনের প্রার্থী সুজিত বসু এবং রথীন ঘোষকে। জমি দখল সংক্রান্ত একটি মামলার তদন্তে ইডি তৃতীয় বারের জন্য তলব করেছেন রাসবিহারীর বিদায়ী বিধায়ক তথা ওই কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী দেবাশিস কুমারকে। ইডির এই ‘তৎপরতা’র সূত্রেই মুখ্যমন্ত্রী ওই ‘অপারেশন’ মন্তব্য করেছেন কি না, তা অবশ্য স্পষ্ট করেননি।

খণ্ডঘোষের সভায় ফের দলীয় কর্মীদের ইভিএম, ভোটের গণনা নিয়ে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেন মুখ্যমন্ত্রী। মঞ্চে বসে থাকা দলের নেতা-কর্মীদের দিকে ঘুরে তিনি বলেন, “ভোটের মেশিন নিয়ে খুব সাবধান। এদের প্ল্যান হল স্লো ভোটিং, স্লো কাউন্টিং। প্রথমে দেখাবে বিজেপি জিতছে। বুঝতেই পারছেন আমাদের কাদের সঙ্গে লড়াই করতে হচ্ছে। টেক কেয়ার, বুদ্ধি খরচ করে কাজ করুন।”

রবিবার বাঁকুড়ার ছাতনার সভা থেকে বাইরের খাবার খাওয়া নিয়ে দলীয় নেতা-কর্মীদের সতর্ক করেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, “ভোটের সময় দেখে দেখে খাবেন। বাইরে যে যা দেবে, খাবেন না।’’ তার পরেই মমতা বলেন, ‘‘আমি বাইরে কিছু খাই না। যে কোনও কিছু বাইরে খাওয়ার আগে দেখে নেবেন, ঠিক জিনিসটা খাচ্ছেন কি না। বিশেষ করে রাজনীতিক, ডাক্তার, প্রশাসনিক কর্তারা, উল্টোপাল্টা জিনিস খাবেন না। কারণ, তাঁদের কাজ ২৪ ঘণ্টার। যে কোনও সময় কাজ করতে হয়। তাঁদের যাতে কেউ বিষাক্ত খাবার দিতে না-পারে।’’

খণ্ডঘোষের সভা থেকে হুমায়ুন কবীরের ‘বিতর্কিত’ ভিডিয়ো নিয়ে মুখ খোলেন মুখ্যমন্ত্রী। এই সূত্রে নাম না-করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে তোপ দাগেন তিনি। বলেন, দেখছেন তো একটা পার্টিকে ভাগ করার জন্য ১০০০ কোটি টাকার ডিল (চুক্তি) করেছে। বলছে, ভিডিয়োটি না কি আর্টিফিশিয়াল (এআই)।” তার পরেই হুমায়ুন এবং মোদীর নাম না-করে তাঁর সংযোজন, “যে করেছে সে বলছে ভিডিয়োটি সত্যি। বলছি, কত শাক দিয়ে মাছ ঢাকবেন? অনেক টাকা না? যখন গ্যাসের টাকা বাড়ে, তখন তো কমান না! পেট্রলের দাম বাড়ে, কমান না।”

Advertisement
আরও পড়ুন