US-Iran War

ইরানকে আলোচনার টেবিলে বসাতে ‘সংক্ষিপ্ত কিন্তু জোরালো’ হামলা চালাতে পারে আমেরিকা! দাবি রিপোর্টে, আর কী বলা হল?

ওয়াকিবহাল একটি সূত্রকে উদ্ধৃত করে রিপোর্টে বলা হয়েছে, মার্কিন সেনাবাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড ইরানে ‘সংক্ষিপ্ত অথচ শক্তিশালী’ হামলা চালানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে। আমেরিকা মনে করছে, সে ক্ষেত্রে আমেরিকার সঙ্গে আলোচনায় বসতে বাধ্য হবে ইরান।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ৩০ এপ্রিল ২০২৬ ০৯:০৪
ডোনাল্ড ট্রাম্প।

ডোনাল্ড ট্রাম্প। —ফাইল চিত্র।

ইরানকে আলোচনার টেবিলে বসাতে ফের সে দেশে হামলা চালাতে পারে আমেরিকা। সংবাদমাধ্যম ‘অ্যাক্সিওস’-এর একটি প্রতিবেদনে এমনটাই দাবি করা হয়েছে। এই বিষয়ে ওয়াকিবহাল একটি সূত্রকে উদ্ধৃত করে বলা হয়েছে, মার্কিন সেনাবাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড ইরানে ‘সংক্ষিপ্ত অথচ শক্তিশালী’ হামলা চালানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে। আমেরিকা মনে করছে, সে ক্ষেত্রে আমেরিকার সঙ্গে আলোচনায় বসতে বাধ্য হবে ইরান। যদিও এই বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ভাবে পেন্টাগন বা হোয়াইট হাউসের তরফে কিছু জানানো হয়নি।

Advertisement

‘অ্যাক্সিওস’-এর ওই প্রতিবেদনে এ-ও বলা হয়েছে যে, হরমুজ় প্রণালীর অবরোধ তুলে নেওয়ার আর্জি জানিয়ে আমেরিকাকে ইরান যে প্রস্তাব পাঠিয়েছিল, তা খারিজ করে দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ইরান আলোচনায় বসতে রাজি না-হলে এই অবরোধ চালিয়ে যেতে চান তিনি। ঘটনাচক্রে, মঙ্গলবার ট্রাম্প সমাজমাধ্যমে নিজের একটি ছবি পোস্ট করে লেখেন, “আর ভালমানুষি নয়।” ওই ছবিতে ট্রাম্পের হাতে বন্দুকও ছিল। অনেকেরই মত, ইরানকে বার্তা দিতেই সমাজমাধ্যমে ওই পোস্ট করেন তিনি।

ট্রাম্প যে হরমুজ় প্রণালীতে অবরোধ চালিয়ে যেতে চান, সেই ইঙ্গিত তিনি নিজেই দিয়ে রেখেছেন। সম্প্রতি একটি সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি তাঁর এই সিদ্ধান্তের সমর্থনে বলেন, “ওরা (ইরান) শূকরের মতো দমবন্ধকর অবস্থায় আছে। এটা (হরমুজ়ে অবরোধ) ওদের জন্য ভয়াবহ হতে চলেছে। ওদের কাছে পরমাণু অস্ত্রও থাকবে না।” একই সঙ্গে ট্রাম্প জানান, হরমুজ়ের অবরোধ তোলার জন্য ইরান আমেরিকার সঙ্গে বোঝাপড়ায় আসতে চাইছে। কিন্তু পরমাণু অস্ত্র তৈরি না-করার প্রতিশ্রুতি না-দিলে আমেরিকা কোনও বোঝাপড়া করবে না বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

তেহরানের তরফে এখনও আনুষ্ঠানিক ভাবে এই বিষয়ে কিছু বলা হয়নি। তবে ইরানের সেনাবাহিনীর একটি সূত্রের দাবি, আপাতত তেহরান মনে করছে যে, কূটনৈতিক উপায়েই সমাধানসূত্র মিলবে। কিন্তু তা না-হলে আর আমেরিকা হরমুজ়ে নৌ অবরোধ চালিয়ে গেলে প্রয়োজনীয় ‘শাস্তি’ দেওয়া হবে বলেও জানিয়েছে ওই সূত্রটি।

Advertisement
আরও পড়ুন