US warship to Middle East

পশ্চিম এশিয়ায় আরও এক রণতরী পাঠাচ্ছে আমেরিকা! ইরানের উপর চাপ বৃদ্ধির কৌশল নিচ্ছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প?

গত ১০ ফেব্রুয়ারি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, পশ্চিম এশিয়ায় আরও একটি রণতরী পাঠাতে পারেন। তার পরই রণতরী জেরাল্ডকে পাঠানোর প্রস্তুতি বলে মনে করা হচ্ছে।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৬:২৪
পশ্চিম এশিয়ার উদ্দেশে আরও এক মার্কিন রণতরী। ছবি: সংগৃহীত।

পশ্চিম এশিয়ার উদ্দেশে আরও এক মার্কিন রণতরী। ছবি: সংগৃহীত।

পশ্চিম এশিয়ায় আরও এক রণতরী পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিল আমেরিকা। দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, জেরাল্ড আর ফোর্ড নামে ওই মার্কিন রণতরীর কাছে ইতিমধ্যেই সেই নির্দেশ পৌঁছে গিয়েছে বলে ট্রাম্প প্রশাসনের একটি সূত্রের দাবি। ক্যারিবিয়ান অঞ্চলে মোতায়েন মার্কিন রণতরীকে পশ্চিম এশিয়ায় পাঠিয়ে ইরানের উপর আরও চাপ বৃদ্ধির কৌশল নিলেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প? এই জল্পনাও জোরালো হতে শুরু করেছে।

Advertisement

ট্রাম্প প্রশাসনের ওই সূত্রের দাবি, পারস্য উপসাগরে মোতায়েন মার্কিন রণতরী আব্রাহাম লিঙ্কনের সঙ্গে যোগ দেবে ক্যারিবিয়ান অঞ্চলে মোতায়েন থাকা রণতরী জেরাল্ড। গত ১০ ফেব্রুয়ারি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, পশ্চিম এশিয়ায় আরও একটি রণতরী পাঠাতে পারেন। তার পরই রণতরী জেরাল্ডকে পাঠানোর প্রস্তুতি বলে মনে করা হচ্ছে। সপ্তাহ দুয়েক আগেই পশ্চিম এশিয়ায় পৌঁছে গিয়েছে রণতরী আব্রাহাম লিঙ্কন। এর বার রণতরী জেরাল্ডকে পাঠানোর তোড়জোড় শুরু হতেই পশ্চিম এশিয়ায় ট্রাম্পের কৌশল আন্তর্জাতিক আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছে। প্রসঙ্গত, গত সপ্তাহে ওমানে আলোচনায় বসেছিল আমেরিকা এবং ইরান। আলোচনার প্রাথমিক পর্বে আমেরিকার কাছে বেশ কিছু দাবি রেখেছে তারা। দু’দেশের মধ্যে আলোচনার দরজা খুললেও উত্তেজনা কাটেনি। ইরানের সঙ্গে আলোচনা চালানোর মাঝে ফের পশ্চিম এশিয়ায় রণতরী পাঠানো কিসের ইঙ্গিত দিচ্ছে, তা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে।

বস্তুত, পশ্চিম এশিয়ার দেশগুলির সঙ্গে বিশ্বের অন্য দেশগুলির বাণিজ্যিক যোগাযোগের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হল হরমুজ় প্রণালী। পারস্য উপসাগর এবং ওমান উপসাগরের মাঝের এই সরু প্রণালী দিয়ে আমেরিকা-সহ বহু দেশের বাণিজ্যিক পণ্যবাহী জাহাজ যাতায়াত করে। এই প্রণালীর এক দিকে রয়েছে ইরান, অন্য দিকে রয়েছে ওমান এবং সংযুক্ত আরব আমিরশাহি। আমেরিকার সঙ্গে কূটনৈতিক উত্তেজনার মাঝে সম্প্রতি এই প্রণালীতে যুদ্ধমহড়া সেরেছে ইরানের নৌবাহিনী।

গত রবিবারই ইরানের রাজধানী তেহরানে সে দেশের বিদেশমন্ত্রী দাবি করেন, ওমানে আয়োজিত পরোক্ষ সমঝোতা-বৈঠক চলছে বটে, কিন্তু তাকে আমেরিকা আদৌ খুব একটা গুরুত্ব দিচ্ছে বলে তিনি মনে করেন না। ইরানের পরমাণু পরিকল্পনা এবং ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধিকরণ নিয়ে আমেরিকার সঙ্গে কোনও সমঝোতার প্রশ্নই ওঠে না, জানিয়েছেন ইরানের বিদেশমন্ত্রী। পশ্চিম এশিয়ায় আমেরিকার সেনা মোতায়েন নিয়েও যে ইরান ভয় পাচ্ছে না, সেই বার্তাও দিয়েছেন তিনি।

Advertisement
আরও পড়ুন