—প্রতীকী চিত্র।
পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ শুরুর পরে মার্চেসেনসেক্স পড়েছে মোট ৫৭৮৪.২৫ পয়েন্ট। লগ্নিকারীদের ৩৩.৬৮ লক্ষ কোটি টাকার শেয়ার সম্পদ কমেছে। শুধু শুক্রবারই সূচকটির পতনের অঙ্ক ১৪৭০.৫০ পয়েন্ট। গোটা সপ্তাহে ৪৩৫৪.৯৮। ফলে বহু দিন পরে সেনসেক্স নেমেছে ৭৪ হাজারের ঘরে (৭৪,৫৬৩.৯২)। নিফ্টি ৪৮৮.০৫ কমে ২৩,১৫১.১০। নজিরবিহীন তলানিতে টাকার দামও। আমেরিকা-ইরানের সংঘাত বেড়ে যাওয়ায় এ দিন বিশ্ব বাজারে অশোধিত তেলের ব্যারেল ১০১ ডলার হয়। মূলত সেই কারণে ২০ পয়সা উঠে দিনের মাঝে ডলার পৌঁছয় ৯২.৪৫ টাকায়। পরে থামে ৯২.৩০-এ। আগের দিনে থেকে ৫ পয়সা বেশি। তবে নতুন নজির।
বিশেষজ্ঞ কমল পারেখ বলেন, ‘‘যুদ্ধ যতদিন চলবে, বাজার পড়বে। বিদেশি লগ্নি সংস্থাগুলি ভারতে শেয়ার বিক্রি করে কিছুটা সুরক্ষিত থাকতে চাইছে। যুদ্ধ চললে এর বহর বাড়বে। মিউচুয়াল ফান্ড-সহ দেশীয় আর্থিক সংস্থাগুলি লগ্নি না করলে পতন আরও বেশি হত।’’ একাংশের আশঙ্কা, তারা তুলতে পারে এক লক্ষ কোটি টাকা। কমলের দাবি, তেলের চড়া দাম সমস্যা তৈরি করতে পারে বিশ্ব অর্থনীতিতে। দেশে সংস্থাগুলির মুনাফা কমতে পারে এই ত্রৈমাসিকে।