—প্রতীকী ছবি।
হঠাৎ টাকার প্রয়োজন। ব্যাঙ্ক বা ব্যাঙ্ক-বহির্ভূত আর্থিক সংস্থা (নন-ব্যাঙ্কিং ফিন্যান্সশিয়াল কোম্পানি বা এনবিএফসি) থেকে নিতে হবে ব্যক্তিগত ঋণ। সরকারি-বেসরকারি কোনও প্রতিষ্ঠানে চাকরি না করলেও কি সেটা মঞ্জুর করতে পারে তারা? বেতন স্লিপ (স্যালারি স্লিপ) ছা়ড়া কী ভাবে পাওয়া যায় ব্যক্তিগত ঋণ? আনন্দবাজার ডট কম-এর এই প্রতিবেদনে রইল তার হদিস।
বর্তমানে বিভিন্ন সমাজমাধ্যম প্ল্যাটফর্মে প়ডকাস্ট ও কন্টেন্ট তৈরি করে দিব্যি মোটা টাকা রোজগার করছেন অনেকে। কারও কারও আবার আয়ের উৎস হল ফ্রিল্যান্সিং, বিভিন্ন বিষয়ের উপর পরামর্শ দেওয়া এবং ডিজ়াইনিং। এই ধরনের পেশাদারদের কাছে থাকে না কোনও বেতনের স্লিপ। তবে ব্যক্তিগত ঋণের ক্ষেত্রে কোনও সমস্যার মুখে পড়তে হয় না তাঁদের। কারণ ঋণ দেওয়ার সময় আবেদনকারীর আর্থিক স্বাস্থ্যের উপর নজর রাখে ব্যাঙ্ক বা এনবিএফসি, তাঁর আয়ের উৎসের উপর নয়।
ফ্রিল্যান্স পেশার সঙ্গে যুক্ত কোনও ব্যক্তি ঋণের আবেদন করলে তাঁর আয়ের নির্ভরযোগ্যতা মূল্যায়ন করে ব্যাঙ্ক বা এনবিএফসি। সে ক্ষেত্রে সাধারণ ভাবে তিনটি বিষয়ের উপর নজর দেয় আর্থিক সংস্থা। সেগুলি হল, ক্রেডিট স্কোর, ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের নিয়মিত জমা হওয়া আয়ের অঙ্ক এবং আয়কর রিটার্নের নথি। এগুলি ঠিক থাকলে সাধারণত পেশাদারদের ঋণ দ্রুত মঞ্জুর করে দেয় ব্যাঙ্ক।
তবে পডকাস্ট বা কন্টেন্ট তৈরির মতো ফ্রিল্যান্সিংয়ে যুক্তদের অবশ্য ব্যক্তিগত ঋণের আবেদনের ক্ষেত্রে কতগুলি বিষয় মাথায় রাখতে হবে। আবেদনকারীর বয়স কখনওই ৬০ বছর বা তার বেশি হলে চলবে না। কম করে এক থেকে দু’বছরের পেশাদার কাজের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। আবেদনপত্রের সঙ্গে ব্যাঙ্ক স্টেটমেন্ট চাইতে পারে সংশ্লিষ্ট আর্থিক প্রতিষ্ঠান।
ব্যক্তিগত ঋণের ক্ষেত্রে ক্রেডিট স্কোর খুব গুরুত্বপূর্ণ। সেটা ৭৫০ বা তার বেশি হল কম সুদে ঋণ পেতে পারেন আবেদনকারী। তবে ক্রেডিট স্কোর ৬৫০ বা তার চেয়ে কম হলে উচ্চ সুদের হারে মঞ্জুর হবে ব্যক্তিগত ঋণ। টাকা পেতে প্যান কার্ড এবং ঠিকানার পরিচয়পত্র ব্যাঙ্ক বা এনবিএফসিতে জমা করার নিয়ম রয়েছে।