State Bank of India

ক্রমশ কমছে গুরুত্ব, কলকাতা ছাড়ছে স্টেট ব্যাঙ্কের আরও তিনটি বিভাগ

সুদীপের তোপ, ২০১৮ সালের আগে নথিভুক্ত অফিস সরেছিল। ওই বছর মুম্বইয়ে যায় সেন্ট্রাল অ্যাকাউন্টস বিভাগটি। সেখানেই ব্যাঙ্কের বার্ষিক হিসাব তৈরি করা হত।

প্রজ্ঞানন্দ চৌধুরী
শেষ আপডেট: ১৩ জুন ২০২৬ ০৭:৫৯
স্টেট ব্যঙ্ক অফ ইন্ডিয়া।

স্টেট ব্যঙ্ক অফ ইন্ডিয়া। ফাইল চিত্র।

রাজ্য থেকে সরে যাওয়ার পথে স্টেট ব্যাঙ্কের আরও তিনটি বিভাগ। এর আগেও পশ্চিমবঙ্গ থেকে একাধিক বিভাগ অন্য রাজ্যে সরিয়ে নিয়েছে ব্যাঙ্কটি। বছরের গোড়ায় বিদেশি মুদ্রা লেনদেনের বিভাগ গ্লোবাল মার্কেটিং ইউনিট স্থানান্তরিত হয়েছে মুম্বইয়ে। ফলে ব্যাঙ্কের কাজকর্মে ক্রমশই কলকাতার গুরুত্ব কমছে বলে অভিযোগ উঠছে। সূত্রের খবর, চলতি মাসেই ব্যাঙ্কের বেঙ্গল সার্কেল (পশ্চিমবঙ্গ, সিকিম, আন্দামান ও নিকোবর) থেকে আরও তিন বিভাগ সরানো হচ্ছে— চেক ক্লিয়ারিং (সেন্ট্রাল চেক প্রসেসিং সেন্টার), অ্যাকাউন্ট ওপেনিং (লায়াবিলিটি সেন্ট্রাল প্রসেসিং সেন্টার) ও সেন্ট্রাল পেনশন প্রসেসিং সেন্টার।

স্টেট ব্যাঙ্কের স্টাফ অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক সুদীপ দত্ত বলেন, ‘‘পাকা খবর যে, দু’টি বিভাগ সরছেই। তৃতীয়টি নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। এর প্রতিবাদ জানিয়ে ইতিমধ্যেই ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষকে চিঠি দিয়েছি।’’ ওই তিনটি বিভাগে প্রায় ২৫০ জন কাজ করেন। এ ছাড়াও সেগুলির সঙ্গে আউটসোর্সিং (বাইরের সংস্থাকে দিয়ে কাজ করানো) স্টাফ এবং ভেন্ডার মিলিয়ে আরও প্রায় ৩০০ জন জড়িত। এসবিআই কর্তৃপক্ষের অবশ্য দাবি, পরিচালনার কাজের সুবিধার জন্যই এই সিদ্ধান্ত।

সুদীপের তোপ, ২০১৮ সালের আগে নথিভুক্ত অফিস সরেছিল। ওই বছর মুম্বইয়ে যায় সেন্ট্রাল অ্যাকাউন্টস বিভাগটি। সেখানেই ব্যাঙ্কের বার্ষিক হিসাব তৈরি করা হত। এ বছর জানুয়ারিতে মুম্বইয়ে যায় বিদেশি মুদ্রার লেনদেন বিভাগ। তাঁর ক্ষোভ, ‘‘এতগুলি বিভাগ চলে যাওয়ায় রাজ্যে স্টেট ব্যাঙ্কে কর্মসংস্থান কমেছে। যে সব রাজ্যে বিভাগগুলি যাচ্ছে, সেখানে কাজের সুযোগ বাড়ছে।’’

পাশাপাশি, এই সিদ্ধান্তে রাজ্য জিএসটি বাবদ আয় হারাচ্ছে বলেও অভিযোগ উঠে। সূত্রের খবর, বিদেশি মুদ্রার বিভাগ সরায় বছরে প্রায় ২৫ কোটি টাকার কর হারিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ। এ বার ওই তিনটি বিভাগ চলে গেলে তা আরও বাড়বে বলে ধারণা।

আরও পড়ুন