CBSE 2nd phase exam 2026

প্রকাশিত হল সিবিএসই দশমের দ্বিতীয় পর্বের পরীক্ষার সময়সূচি, কারা পারবে পরীক্ষা দিতে?

১৫ এপ্রিল অন্তর্বতী ফলপ্রকাশ করেছে বোর্ড। প্রথম পর্বের পরীক্ষার ফলপ্রকাশের ১০ দিনের মধ্যেই দ্বিতীয় পর্বের পরীক্ষার সময়সূচি প্রকাশ করা হল।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ২৩ এপ্রিল ২০২৬ ১৮:০৩
সিবিএসই দ্বিতীয় পর্বের পরীক্ষার সময়সূচি প্রকাশ।

সিবিএসই দ্বিতীয় পর্বের পরীক্ষার সময়সূচি প্রকাশ। ছবি: সংগৃহীত।

সেন্ট্রাল বোর্ড অফ সেকেন্ডারি এডুকেশন-এর (সিবিএসই) তরফে জানিয়ে দেওয়া হল দ্বিতীয় পর্বের পরীক্ষার দিনক্ষণ। ২০২৬ থেকে বছরে দু’বার দশম শ্রেণিতে বোর্ড পরীক্ষার আয়োজন করছে সিবিএসই। ১৫ এপ্রিল অন্তর্বতী ফলপ্রকাশ করেছে বোর্ড। প্রথম পর্বের পরীক্ষার ফলপ্রকাশের ১০ দিনের মধ্যেই দ্বিতীয় পর্বের পরীক্ষার সময়সূচি প্রকাশ করা হল।

Advertisement

১৫ মে থেকে শুরু হবে পরীক্ষা, চলবে ২১ মে পর্যন্ত। প্রথম দিন গণিত এবং শেষ দিন শেষ পরীক্ষা সমাজবিজ্ঞান। মাঝে ইংরেজি, বিজ্ঞান, হিন্দি, বাংলা-সহ বাকি বিষয়ের পরীক্ষা হবে। সকাল সাড়ে ১০টা থেকে শুরু হবে। তবে, বিষয়ের উপর নির্ভর করে বেলা সাড়ে ১২টা এবং দেড়টা পর্যন্ত চলবে পরীক্ষা।

কারা কারা দিতে পারবে দ্বিতীয় পর্বের পরীক্ষা?

প্রথম পর্বে অন্তত তিনটি বিষয়ে পরীক্ষা দেওয়া থাকতে হবে। যে সব পড়ুয়া প্রথম পরীক্ষাতেই দশম শ্রেণি উত্তীর্ণ হয়ে গিয়েছে, তারা নম্বর বাড়াতে চাইলে আবারও দ্বিতীয় পর্বের পরীক্ষা দিতে পারবে। পাশাপাশি বোর্ডের তরফে জানানো হয়েছে, যদি কোনও পড়ুয়া কোনও বিষয়ে অনুত্তীর্ণ হয়, তা হলেও সে দ্বিতীয় পর্বের সেই বিষয়ে পরীক্ষা দিতে পারবে। একইসঙ্গে এমন কোনও পড়ুয়া যদি থাকে, যে আগেও অনুত্তীর্ণ হয়ে প্রথম পর্বের পরীক্ষা দিয়েছে, সে-ও দ্বিতীয় পর্বের পরীক্ষায় বসার যোগ্য। আবার, খেলাধুলার কারণে পরীক্ষা দিতে পারেনি এমন পড়ুয়াও এই পরীক্ষায় বসতে পারে। প্রথম পর্বের পরীক্ষার সময় যদি নকল করতে গিয়ে ধরা পড়ে থাকে তা হলেও শর্তসাপেক্ষ সেই পড়ুয়াও দ্বিতীয় পর্বের পরীক্ষা দিতে পারবে।

কারা বসতে পারবে না এই পরীক্ষায়?

বোর্ডের তরফে আগেই জানানো হয়েছিল, প্রথম পর্বে যারা তিনটি বা তার বেশি বিষয়ের পরীক্ষা দেবে না, তাকে দ্বিতীয় পরীক্ষার বসার অনুমতিও দেওয়া হবে না। আবার যদি কেউ মূল পর্ব অর্থাৎ প্রথম পর্বের পরীক্ষা এড়িয়ে শুধু দ্বিতীয় পর্বের পরীক্ষা দিতে চায়, তাদেরও অনুমতি দেওয়া হবে না। অন্য দিকে, কোনও পড়ুয়া যদি ভাবে প্রথম পর্বে কিছু বিষয়ের পরীক্ষা দেবে এবং দ্বিতীয় পর্বে বাকি বিষয়ের পরীক্ষা দেবে, সে ক্ষেত্রেও তাদের বাধা দেওয়া হবে।

মূলত জাতীয় শিক্ষানীতি মেনে বছরে দু’বার পরীক্ষা চালুর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছিল বোর্ড। তাদের দাবি, এর মাধ্যমে পরীক্ষার চাপ কমার পাশাপাশি যথাযথ ভাবে পড়াশোনার সুযোগ পাবে পড়ুয়ারা। শিক্ষকদের মূল্যায়নেও অনেকটাই সুবিধা হবে। পাশাপাশি অনুত্তীর্ণদের এক বছর অপেক্ষা করতে হবে না।

Advertisement
আরও পড়ুন