ছবি: সংগৃহীত।
নতুন অধিকর্তা কাজে যোগ দেওয়ার পরই অবস্থান বিক্ষোভের ডাক দিলেন ইন্ডিয়ান স্যাটিস্টিক্যাল ইনস্টিটিউটের (আইএসআই) শিক্ষক, শিক্ষাকর্মী ও পড়ুয়াদের একাংশ। কেন্দ্র সরকারের খসড়া আইএসআই বিলের বিরুদ্ধেই সরব তাঁরা।
দীর্ঘ ৮ মাস পর, ১ এপ্রিল স্থায়ী অধিকর্তা পেয়েছে আইএসআই। ২ এপ্রিল সকাল ৯টা থেকে ক্যাম্পাসের মূল ফটকের সামনে অবস্থানে বসছেন তাঁরা। দাবি, এই খসড়া বিল বাতিল করে আলোচনায় বসতে হবে। ‘আইএসআই ওয়ার্কার্স অর্গানাইজেশন’-এর তরফে দাবি করা হয়েছে, এই খসড়া বিলের মাধ্যমে প্রাচীন ঐতিহ্যশালী এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের স্বায়ত্তশাসন ধ্বংস করা হচ্ছে। এর আগেও মার্চ মাসের দু’দিন ক্যাম্পাসে এবং ক্যাম্পাসের বাইরেও মোমবাতি জ্বালিয়ে প্রতিবাদ জানানো হয়েছিল। এ বার সারা দিন অবস্থানে বসছেন তাঁরা।
সংগঠনের দাবি, শিক্ষাগত এবং আর্থিক দিক থেকে স্বশাসন কেড়ে নেওয়ার যে চেষ্টা শুরু হয়েছে সেটা বন্ধ করতে হবে। পাশাপাশি পরিচালক মণ্ডলীর সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা না করে এ ভাবে একতরফা কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়া যাবে না।
গত ১১ মার্চ লোকসভায় রানাঘাটের বিজেপি সাংসদ জগন্নাথ সরকার আইএসআই এবং প্রস্তাবিত খসড়া বিল নিয়ে কিছু প্রশ্ন তুলেছিলেন। তা নিয়ে বিতর্কও হয়। আইএসআই সম্পর্কে সম্পূর্ণ তথ্য না জেনেই এই প্রশ্নগুলি করেন বলেও অভিযোগ উঠেছিল। এমনকি ওই প্রশ্ন এবং তার উত্তরগুলি সম্ভবত পরিসংখ্যান ও কর্মসূচি বাস্তবায়ন মন্ত্রক নিজেই তৈরি করেছে বলেও অভিযোগ করেছিলেন শিক্ষকদের একাংশ। এ বার ফের সেই বিল বিতর্কে প্রতিবাদে সরব হচ্ছেন শিক্ষকেরা।
ইতিমধ্যেই অধিকর্তা নিয়োগের ক্ষেত্রেও গণতন্ত্র নষ্ট করা হয়েছে বলেও অনেকে অভিযোগ করেছিলেন। প্রশান্তচন্দ্র মহলানবিশের স্মৃতি বিজড়িত এই প্রতিষ্ঠান কার্যত জড়িয়ে পড়েছে একের পর এক বিতর্কে।