— প্রতীকী চিত্র।
মার্চের শেষ সপ্তাহেই স্টেট এলিজিবিলিটি টেস্ট-এর শংসাপত্র হাতে পেয়ে যাবেন পরীক্ষার্থীরা। কলেজে সহকারী শিক্ষকের যোগ্যতা নির্ণায়ক এই পরীক্ষার ফলের উপর নির্ভর করছে তাঁদের পেশাগত ভবিষ্যৎ। এই শংসাপত্র হাতে পেলে কলেজ সার্ভিস কমিশনের (সিএসসি) চলতি নিয়োগ প্রক্রিয়ায় যোগ দিতে পারবেন তাঁরা।
গত ফেব্রুয়ারিতে সিএসসি নিয়োগ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। আবেদনের সময় এখনও উত্তীর্ণ হয়নি। ফলে সেট-এর শংসাপত্র হাতে পেলে বহু প্রার্থীই আবেদন করতে পারবেন। কলেজ সার্ভিস কমিশন সূত্রের খবর, মার্চের শেষ সপ্তাহেই ওয়েবসাইটে এ সংক্রান্ত নির্দিষ্ট লিঙ্ক দেওয়া হবে। তবে বর্তমানে যাঁরা স্নাতকোত্তর স্তরে পড়াশোনা করছেন সেই সব প্রার্থীরা এখনই সেট-এর শংসাপত্র পাবেন না। স্নাতকোত্তর পাশ করার পরে ওয়েবসাইটে সেই স্নাতকোত্তরের শংসাপত্র জমা দেওয়ার পরেই সেট-এর শংসাপত্র তাঁরা পাবেন বলে জানান কমিশনের এক কর্তা।
কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, এই বছর সেট-এর জন্য রেজিস্ট্রেশন করেছিলেন প্রায় ৫৫ হাজার প্রার্থী। যদিও তাঁদের মধ্যে প্রায় ৩৮ হাজার পরীক্ষা দেন। সেই প্রার্থীদের মধ্যে ২৮০০ জনকে এই শংসাপত্র দেওয়া হবে। তবে তার মধ্যে প্রথমে ২৩০০ জন আগামী সপ্তাহেই শংসাপত্র সংগ্রহ করতে পারবেন। কিন্তু বাকি ৫০০ জন প্রার্থীকে অপেক্ষা করতে হবে তাঁদের স্নাতকোত্তরের শংসাপত্র পাওয়া পর্যন্ত। কমিশনের এক কর্তা জানান, বর্তমানে নিয়োগ প্রক্রিয়ার জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হয়েছে। ২৩০০ প্রার্থী তাঁরাও আবেদন করতে পারবেন।
তবে ইতিমধ্যে ওই বিজ্ঞপ্তি নিয়ে বেশ কিছু প্রশ্ন উঠেছে। শূন্যপদ ঘোষণা না হওয়ায় ধন্দে রয়েছেন বহু আবেদনকারী। অস্বচ্ছতার অভিযোগও উঠেছে। যদিও কমিশন সাফ জানিয়ে দিয়েছে সব কিছু আইন মেনেই করা হচ্ছে। অন্য বছর যে ভাবে নিয়োগ হয় এ বারও এই একই পথ নেওয়া হয়েছে। স্বচ্ছতা বজায় রাখার জন্য কমিশন দায়বদ্ধ বলেও জানান এক কর্তা। নির্দ্বিধায় সকল আবেদন করতে পারেন বলেন জানান তিনি। আগামী ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত আবেদন করা যাবে। নতুন ভাবে শংসাপত্র পেয়ে তাঁরাও এই প্রক্রিয়ায় অংশ নেবে বলেও আশাবাদী তিনি।