Madhyamik 2026

ত্রিকোণমিতি, উপপাদ্য নিয়ে সমস্যা! মাধ্যমিকের অঙ্ক প্রশ্ন ভুল ছিল বলে উঠছে অভিযোগ

১২ নম্বরের তৃতীয় প্রশ্নটির চিহ্নে ভুল ছিল বলে দাবি করেছেন শিক্ষকেরা। পরীক্ষায় প্রশ্নের মান নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গিয়েছিল পরীক্ষার্থী এবং শিক্ষকদের মধ্যে।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা
শেষ আপডেট: ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৫:৫৯
প্রতীকী চিত্র।

প্রতীকী চিত্র।

মাধ্যমিকের অঙ্ক পরীক্ষায় উঠল ভুল প্রশ্নের অভিযোগ। যদিও, কোনও অভিযোগ জমা পড়েনি বলে দাবি মধ্যশিক্ষা পর্ষদের।

Advertisement

সোমবার ছিল অঙ্ক পরীক্ষা। অভিযোগ, ত্রিকোণমিতির প্রশ্নে ত্রুটি ছিল। ১২ নম্বরের তৃতীয় প্রশ্নটির চিহ্নে ভুল ছিল বলে দাবি করেছেন শিক্ষকেরা। পরীক্ষায় প্রশ্নের মান নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গিয়েছিল পরীক্ষার্থী এবং শিক্ষকদের মধ্যে।

শিক্ষকদের একাংশের দাবি, এ বার মাধ্যমিকে অঙ্ক প্রশ্ন মাঝারি মানের হয়েছে। জ্যামিতির অংশে কয়েকটি সহজ উপপাদ্যের প্রশ্ন জটিল করে করা হয়েছে বলে দাবি। নারায়ণদাস বাঙ্গুর স্কুলের গণিতের শিক্ষক গৌরাঙ্গ সরখেল বলেন, “সার্বিক বিচারে প্রশ্ন ঠিকঠাকই হয়েছে। তবে গত বারের মতো এ বারও একই বিভাগ থেকে দু’টি উপপাদ্যের প্রশ্ন দেওয়া হয়েছে। এতে কোনও কোনও পরীক্ষার্থী সমস্যায় পড়ে থাকতে পারে।”

তবে ত্রিকোণমিতির প্রশ্নে যে ভুল ছিল, তা স্বীকার করছেন প্রায় সকলেই। বিরাটি হাই স্কুলের অঙ্কের শিক্ষক শক্তিকুমার ঘোষ বলেন, “ত্রিকোণমিতির প্রশ্নে ভুল রয়েছে সাইন বা চিহ্নের ক্ষেত্রে। তবে প্রশ্ন ভালই হয়েছে। মধ্যমানের পড়ুয়ারা ভালই উত্তর দিতে পেরেছে।”

শিক্ষকদের দাবি, মাধ্যমিক স্তর পর্যন্ত গণিত বাধ্যতামূলক এবং গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। সার্বিক ফলাফলের অনেকটাই নির্ভর করে অঙ্ক পরীক্ষার উপর। কারণ, অনেক পরীক্ষার্থীই অঙ্কের ভরসায় অনেকটা নম্বর তুলে নিতে চায়। সে ক্ষেত্রে প্রশ্নে সামান্য ভুল থাকলেও তাদের মনে প্রভাব পড়তে পারে।

যদিও অঙ্ক প্রশ্নে ভুল বা এ সংক্রান্ত কোনও অভিযোগ প্রসঙ্গে কোনও মন্তব্য করতে চায়নি পর্ষদ। কোনও অভিযোগ জমা পড়েনি বলেই কর্তৃপক্ষের দাবি। যদিও শিক্ষানুরাগী ঐক্য মঞ্চের সাধারণ সম্পাদক কিঙ্কর অধিকারী বলেন, “মাধ্যমিকের গণিতের প্রশ্নের ১২ (৩) নম্বর প্রশ্ন ভুল ছিল। এ বিষয়ে আমরা মধ্যশিক্ষা পর্ষদে অভিযোগ জানাচ্ছি। যাতে এই প্রশ্নে ছাত্র-ছাত্রীরা পূর্ণ নম্বর পায়, তা পর্ষদকে নিশ্চিত করতে হবে।” তাঁর দাবি, এ ছাড়া‌ও ১৫(১) নম্বর প্রশ্নেও মুদ্রণ ত্রুটি রয়েছে। সেখানে ‘পরিসংখ্যা’ ছাপা হয়েছে, আসলে তা হবে ‘পরিসীমা’ হবে। এ বিষয়টিও তাঁরা পর্ষদের কাছে জানাচ্ছেন বলে দাবি।

এ দিকে, মাধ্যমিকের অঙ্ক পরীক্ষার দিন গোটা রাজ্যে ৮ পরীক্ষার্থী ধরা পড়ে মোবাইল ফোন-সহ। হিসাব বলছে, সোমবার পর্যন্ত মোট ৩৯ পরীক্ষার্থী মোবাইল-সহ ধরা পড়েছে। সে জন্য তাদের সম্পূর্ণ মাধ্যমিক বাতিল করা হয়েছে।

Advertisement
আরও পড়ুন