উত্তরপাড়ার সভায় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। ছবি: সংগৃহীত।
শাহ বলেন, ‘‘বাংলায় বাবরি মসজিদ কি বানানো উচিত? মমতাদিদি শুনে রাখুন, বিজেপির কার্যকর্তারা থাকতে বাংলায় বাবরি মসজিদ হতে দেবে না। এই ভোট বাংলাকে দাঙ্গামুক্ত করার ভোট। বাংলাকে অনুপ্রবেশকারীমুক্ত করার ভোট। বাংলাকে সন্ত্রাসমুক্ত করার ভোট।’’
মমতাদিদি আপনার লজ্জা পাওয়া উচিত, একজন মহিলা মুখ্যমন্ত্রী হয়েও মহিলাদের সুরক্ষা দিতে পারেন না। হিন্দমোটরে কারখানা বন্ধ হয়ে গিয়েছে। নতুন কোনও কারখানা এখানে আসেনি। আপনারা চিন্তা করবেন না, নির্বাচনের পর সব কারখানা ফিরিয়ে নিয়ে আসব।
অনুপ্রবেশকারীরা তরুণদের চাকরি খাচ্ছে। গরিবদের রেশন খাচ্ছে। আর মমতাদিদি অনুপ্রবেশকারীদের নিজের ভোটব্যাঙ্ক বানিয়েছেন। দিদি আপনার যাওয়ার সময় হয়ে গিয়েছে। সিন্ডিকেটরাজ শেষ হওয়ার প্রয়োজন রয়েছে কি না বলুন? সিন্ডিকেটরাজ, ভাইপো-ট্যাক্সে বিরক্ত বাংলার মানুষেরা। বাংলায় মা-বোনেরা নিরাপদ নয়। মমতাদিদি বলেন, সন্ধ্যা ৭টার পর মহিলারা বাইরে বেরোবেন না। আমি মা-বোনেদের বলছি, আপনারা ভয় পাবেন না। ৫ তারিখে বিজেপির সরকার আসছে। তার পর রাত ২টোয় যদি কোনও মহিলা, কিশোরী বার হয়, কোনও গুন্ডা চোখ তুলে তাকাতে সাহস করবে না। যদি সাহস দেখায়, তাকে উল্টো ঝুলিয়ে দেব।
৫ তারিখের পর অনুপ্রবেশকারীদের বাংলা থেকে তাড়ানো হবে। মমতাদিদি আপনার যাওয়ার সময় হয়ে গিয়েছে। আর অনুপ্রবেশকারীদেরও যাওয়ারও সময় হয়েছে। সিন্ডিকেটরাজ, ভাইপো-ট্যাক্সে বিরক্ত বাংলা মানুষ। ৫ তারিখে সব সিন্ডিকেটওয়ালারা বাংলা থেকে পালাবে। বাংলায় কেউ আর ভাইপো-ট্যাক্স নিতে পারবে না।
কাল প্রথম দফার ভোট শেষ হয়েছে। এই দফায় বিজেপি ১১০-এর বেশি আসন পাবে। আর ৫ তারিখে টিএমসি-র খেলা শেষ হয়ে যাবে। দিদিকে টাটা বাই বাই করতে হবে। অনুপ্রবেশকারীমুক্ত করতে হবে বাংলাকে।
শুক্রবার দু’টি জনসভা এবং একটি পদযাত্রা করার কথা কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের। তার মধ্যে প্রথমটি ছিল উত্তর ২৪ পরগনার হিঙ্গলগঞ্জে। সেখানে সভা সেরে তিনি হুগলির উত্তরপাড়ায় পৌঁছোন। সব শেষে তিনি একটি রোড শো করবেন ব্যারাকপুরে।