WB Assembly Elections 2026

ভবানীপুরে কেবলমাত্র একটি ওয়ার্ডেই লিড পাবেন মমতা, দলীয় বৈঠকে দাবি বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারীর

শুক্রবার বিকেলে ৭৪ নম্বর ওয়ার্ডের অরফানগঞ্জ রোডের ভবানীপুর বিধানসভার নির্বাচনী কার্যালয়ে আসেন শুভেন্দু অধিকারী। সেখানেই ভোটের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতাদের সঙ্গে এক ঘরোয়া বৈঠক করেন।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা
শেষ আপডেট: ০১ মে ২০২৬ ১৯:৫৬
CM Mamata Banerjee will secure a lead in only one ward in Bhabanipur—BJP candidate Suvendu Adhikari claims during a party meeting

শুভেন্দু অধিকারী। —ফাইল চিত্র।

ভবানীপুরে ভোটপর্ব মিটে যাওয়ার পরেও রাজনৈতিক উত্তাপ কমছে না। বৃহস্পতিবার রাতে বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল প্রার্থী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সাখাওয়াত মেমোরিয়াল স্কুলের স্ট্রংরুমে গিয়ে প্রায় চার ঘণ্টা বসে থাকার ঘটনার পর ক্ষোভ প্রকাশ করেছিল বিজেপি। এ বার দলীয় বৈঠকে বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী দাবি করলেন, ভবানীপুর বিধানসভার শুধুমাত্র একটি ওয়ার্ডেই মুখ্যমন্ত্রী ব্যবধান পাবেন। শুক্রবার বিকেলে ৭৪ নম্বর ওয়ার্ডের অরফানগঞ্জ রোডের ভবানীপুর বিধানসভার নির্বাচনী কার্যালয়ে আসেন তিনি। সেখানেই ভোটের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতাদের সঙ্গে এক ঘরোয়া বৈঠক করেন বিদায়ী বিধানসভার বিরোধী দলনেতা। প্রায় ৪০-৪৫ মিনিট চলে ওই বৈঠক।

Advertisement

দক্ষিণ কলকাতা বিজেপি সূত্রে খবর, ওই বৈঠকে ভবানীপুর বিধানসভার ৬৩, ৭০, ৭১, ৭২, ৭৩, ৭৪, এবং ৮২ নম্বর ওয়ার্ডের প্রদত্ত ভোট প্রসঙ্গে খোঁজ নেন শুভেন্দু। কোন ওয়ার্ডের কোন বুথে কত ভোট পড়েছে, তা বিস্তারিত জানতে চান তিনি। ভবানীপুর বিধানসভায় ১ লক্ষ ৩৯ হাজারের বেশি ভোটার ভোট দিয়েছেন বলেই শুভেন্দুকে জানানো হয়েছে। কেবলমাত্র ৭৭ নম্বর ওয়ার্ড প্রসঙ্গেই শুভেন্দু কিছু জানতে চাননি বলেই সূত্রের খবর। ওই সূত্রের আরও দাবি, বিদায়ী বিরোধী দলনেতা দাবি করেছেন, কেবলমাত্র ওই ৭৭ নম্বর ওয়ার্ডে ব্যবধান বাড়াতে পারবেন মমতা। তার কারণ ওই ওয়ার্ডে সংখ্যালঘু মুসলমানদের ভোটই বেশি সংখ্যায়। সেই সমীকরণেই বিরোধী দলনেতা এই দাবি করেছেন বলেই মনে করা হচ্ছে।

শুভেন্দু দাবি করেছেন, কেবলমাত্র ৭৭ নম্বর ওয়ার্ড থেকেই মুখ্যমন্ত্রী লিড পাবেন। ১২-১৪ হাজার মতো ভোটের ব্যবধান পেতে পারেন তিনি। আর বাকি সাতটি ওয়ার্ডের ব্যবধানে ভর করেই তিনি ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রে জয়ী হবেন বলেই দাবি করেছেন নন্দীগ্রামের বিদায়ী বিধায়ক। বৈঠক শেষ করেই শুভেন্দু যান সাখাওয়াত মেমোরিয়াল স্কুলের স্ট্রংরুমে। স্ট্রংরুম পরিদর্শনের পর মুখ্যমন্ত্রীর সেখানে প্রায় চার ঘণ্টা বসে থাকা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘‘চার ঘণ্টা কোনও প্রার্থী বা নির্বাচনী এজেন্টকে স্ট্রংরুমের কাছে যেতে দেওয়া উচিত হয়নি। আমি রিটার্নিং অফিসর বা ইন-চার্জের বিরুদ্ধে কোনও অভিযোগ জানাব না। কিন্তু গতকাল যা হয়েছে তা হ্যান্ডবুকের বাইরে।’’

Advertisement
আরও পড়ুন