WB Elections 2026

নন্দীগ্রামের তৃণমূল প্রার্থী পবিত্র করের বিরুদ্ধে এফআইআর, শুভেন্দু প্রশ্ন তোলার পরেই পদক্ষেপ নির্বাচন কমিশনের

২০২৩ সালের পঞ্চায়েত নির্বাচনে বিজেপির প্রতীকে বয়াল গ্রাম পঞ্চায়েতের ভোটে জিতে পঞ্চায়েত সদস্য হন পবিত্র। কিন্তু ২০২৬ সালের ১৭ মার্চ কলকাতার ক্যামাক স্ট্রিটের দফতরে এসে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ধরে তৃণমূলে যোগদান করেন তিনি।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা
শেষ আপডেট: ০৯ এপ্রিল ২০২৬ ১৪:২৪
ECI filed a FIR against TMC candidate Pabitra Kar after BJP leader Suvendu Adhikari\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\'s allegation of

নন্দীগ্রামের তৃণমূল প্রার্থী পবিত্র কর। —ফাইল চিত্র।

শুভেন্দু অধিকারীর অভিযোগের পরেই নন্দীগ্রামের তৃণমূল প্রার্থী পবিত্র করের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করল নির্বাচন কমিশন। বৃহস্পতিবার সকালে এই অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে বলেই কমিশন সূত্রে খবর। ঘটনাচক্রে, বুধবার হলদিয়ায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর জনসভার প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে আসেন শুভেন্দু। পরে বিজেপি কার্যালয়ে এক সংবাদ বৈঠক করেন বিরোধী দলনেতা। তিনি বলেন, ‘‘আমি স্ক্রুটিনির সময় কোনও অবজেকশন দিইনি। আমার অবজেকশন দেওয়ার কোনও প্রয়োজন নেই। আমি নির্বাচনে হারাব। আমি অবজেকশন জানালে ওর (পবিত্র কর) প্রার্থিপদ চলে যায়।’’ শুভেন্দু আরও বলেন, ‘‘একটা লোক বিজেপির প্রতীকে পঞ্চায়েত সদস্য। পদত্যাগ না করেই বিধানসভায় তৃণমূলের প্রার্থী! নির্বাচন কমিশনকে আমি প্রশ্ন করতে চাই, কোন আইনে আছে ভারতের প্রাপ্তবয়স্ক নাগরিক একই সঙ্গে দু’টি রাজনৈতিক দলের সদস্য হতে পারেন?’’

Advertisement

প্রসঙ্গত, ২০২৩ সালের পঞ্চায়েত নির্বাচনে বিজেপির প্রতীকে বয়াল গ্রাম পঞ্চায়েতের ভোটে জিতে পঞ্চায়েত সদস্য হন পবিত্র। কিন্তু ২০২৬ সালের ১৭ মার্চ কলকাতার ক্যামাক স্ট্রিটের দফতরে এসে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ধরে তৃণমূলে যোগদান করেন তিনি। ওইদিনই নন্দীগ্রাম বিধানসভায় প্রার্থী করা হয় তাঁকে। শুভেন্দু বলেছিলেন, ‘‘উনি বয়াল গ্রাম পঞ্চায়েতের পদ্ম ফুলের পঞ্চায়েত মেম্বার। আর বিধানসভায় তৃণমূলের প্রতীকে লড়াই করছেন। আমি জানি উনি পদত্যাগ করেননি। আমি অবজেকশন দিলেই প্রার্থিপদ কিন্তু খারিজ হয়ে যাবে।’’ বুধবার রাতে বিরোধী দলনেতার এমন অভিযোগের পরেই পদক্ষেপ করল নির্বাচন কমিশন।

এফআইআর দায়ের করা প্রসঙ্গে জবাব পেতে তৃণমূল প্রার্থী পবিত্রকে ফোন করা হলে জবাবে তিনি বলেন, ‘‘আমি এই সংক্রান্ত বিষয়ে অবগত নই। তবে আমি যে পদক্ষেপ করব তা আইনমাফিক হবে।’’ প্রসঙ্গত, কোনও রাজনৈতিক নেতা যদি দলবদল করে ভোটে লড়াই করেন এবং আগের কোনও রাজনৈতিক দলের থেকে জনপ্রতিনিধি হয়ে থাকেন, তবে তাঁকে ওই পদ থেকে ইস্তফা দিতে হয়। এ বার বিধানসভা নির্বাচনে সুমন কাঞ্জিলাল, হরকালী প্রতিহার, তাপসী মণ্ডল, তন্ময় ঘোষের মতো বিজেপি বিধায়ক যাঁরা তৃণমূলে যোগদান করেছিলেন, তাঁদের সকলকে বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা দিতে হয়েছে।

Advertisement
আরও পড়ুন