Assembly Elections 2026

চার রাজ্য ও এক কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে ভোটের জন্য ২৫ লক্ষ কর্মী! কমিশনের চোখ-কান হয়ে ঘুরবেন ১,১১১ জন পর্যবেক্ষক

পশ্চিমবঙ্গে এ বার দু’দফায় ভোট হবে যথাক্রমে ২৩ এপ্রিল এবং ২৯ এপ্রিল। ভোটের ফলাফল ঘোষণা হবে ৪ মে। অবাধ, শান্তিপূর্ণ ভোট নিশ্চিত করতে প্রচুর পর্যবেক্ষক এবং কর্মী নিয়োগ করেছে কমিশন।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা
শেষ আপডেট: ১৮ মার্চ ২০২৬ ১৫:৩৮
অবাধ, সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে কাজ করবেন ২৫ লক্ষাধিক কর্মী।

অবাধ, সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে কাজ করবেন ২৫ লক্ষাধিক কর্মী। —ফাইল চিত্র।

পশ্চিমবঙ্গ-সহ দেশের চার রাজ্য এবং একটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে বিধানসভা নির্বাচনের জন্য ২৫ লক্ষের বেশি কর্মচারী নিয়োগ করেছে নির্বাচন কমিশন। তার মধ্যে রয়েছেন কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষকেরাও। কমিশন জানিয়েছে, মোট ৮৩২টি বিধানসভা অঞ্চলে ভোটের সময় ১,১১১ জন পর্যবেক্ষক নিয়োগ করা হয়েছে। তাঁরাই কমিশনের ‘চোখ এবং কান’ হিসাবে কাজ করবেন।

Advertisement

গত ১৫ মার্চ দিল্লিতে সাংবাদিক বৈঠক করে পশ্চিমবঙ্গ, অসম, কেরল, তামিলনাড়ু এবং পুদুচেরীর নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণা করেছে কমিশন। পশ্চিমবঙ্গে এ বার দু’দফায় ভোট হবে যথাক্রমে ২৩ এপ্রিল এবং ২৯ এপ্রিল। সর্বত্র ভোটের ফলাফল ঘোষণা হবে একই দিনে— ৪ মে। কমিশন জানিয়েছে, ভোটমুখী রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিতে মোট ভোটারের সংখ্যা ১৭ কোটি ৪০ লক্ষের বেশি। মোট নিযুক্ত নির্বাচনী কর্মীর সংখ্যা ২৫ লক্ষের বেশি। অর্থাৎ, প্রতি ৭০ জন ভোটারের জন্য এক জন করে কর্মী নিযুক্ত হয়েছেন। ভোট ঘোষণা করতে গিয়েই দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার জানিয়েছিলেন, সর্বত্র অবাধ, শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করতে কমিশন বদ্ধপরিকর। ভোটারেরা যাতে নির্ভয়ে ভোট দিতে পারেন, তা দেখতে বলা হয়েছে এই ২৫ লক্ষাধিক কর্মীকেও।

নিযুক্ত কর্মীদের মধ্যে রয়েছেন প্রায় ১৫ লক্ষ ভোটকর্মী, সাড়ে আট লক্ষ নিরাপত্তাকর্মী, ৪০ হাজার গণনাকর্মী, ২১ হাজার সেক্টর অফিসার, ৪৯ হাজার মাইক্রো অবজ়ার্ভার। এ ছাড়া, গণনার জন্য আরও ১৫ হাজার মাইক্রো অবজ়ার্ভার নিয়োগ করা হয়েছে। ভোট সংক্রান্ত যে কোনও প্রয়োজনে ভোটারেরা বুথ স্তরের আধিকারিকদের (বিএলও) সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারবেন। প্রায় ২ লক্ষ ১৮ হাজার বিএলও এই কাজে নিযুক্ত রয়েছেন।

নির্বাচন কমিশনের বিজ্ঞপ্তি।

নির্বাচন কমিশনের বিজ্ঞপ্তি।

কমিশন জানিয়েছে, ৮৩২টি বিধানসভা কেন্দ্রে বিধানসভা ভোট এবং উপনির্বাচন প্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করবেন ১,১১১ জন কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক। তাঁরাই ভোটের সময় কমিশনের ‘চোখ’ এবং ‘কান’। এঁদের মধ্যে সাধারণ পর্যবেক্ষক রয়েছেন ৫৫৭ জন, পুলিশ পর্যবেক্ষক রয়েছেন ১৮৮ জন। এ ছাড়া, ৩৬৬ জন ভোটের আয়-ব্যয়ের হিসাব পর্যবেক্ষণ করবেন। অধিকাংশ পর্যবেক্ষকই ইতিমধ্যে নিজ নিজ কেন্দ্রে পৌঁছে গিয়েছেন এবং কাজও শুরু করে দিয়েছেন। এই সমস্ত পর্যবেক্ষকদের সঙ্গে দিনের একটি নির্দিষ্ট সময়ে প্রার্থী নিজে বা কোনও রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি যোগাযোগ করতে পারবেন। ভোট সংক্রান্ত অভিযোগও জানাতে পারবেন।

Advertisement
আরও পড়ুন