West Bengal Election 2026

তৃণমূলের নেতাদের জন্য কেন এত পুলিশ! কিসের প্রয়োজন? প্রশ্ন তুলে রাজ্যের ডিজি-কে পদক্ষেপ করতে বলল কমিশন

কমিশন সূত্রে খবর, ভোট ঘোষণার আগে তৃণমূলের ৮৩২ জন নেতা-কর্মী এবং আরও ১৪৪ জন (যাঁদের মধ্যে তৃণমূল সমর্থকেরাও রয়েছেন) ব্যক্তির নিরাপত্তার জন্য ২,১৮৫ জন পুলিশ কর্মীকে মোতায়েন করা হয়েছে।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা
শেষ আপডেট: ০৩ এপ্রিল ২০২৬ ১৯:০৬
রাজ্যের ডিজি সিদ্ধনাথ গুপ্ত।

রাজ্যের ডিজি সিদ্ধনাথ গুপ্ত। — ফাইল চিত্র।

নির্বাচন ঘোষণার আগে থেকে ৮৩২ জন তৃণমূল নেতা-কর্মীর নিরাপত্তায় বিশাল সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এত জনকে নিরাপত্তা দেওয়া প্রয়োজন কেন? কারা, কেন নিরাপত্তা পাচ্ছেন? অপ্রয়োজনীয় নিরাপত্তা কি তুলে নেওয়া যাবে? এই প্রশ্ন তুলে রাজ্য পুলিশের ডিজি সিদ্ধনাথ গুপ্তকে দুই থেকে তিন দিনের মধ্যে পদক্ষেপ করতে বলল নির্বাচন কমিশন।

Advertisement

কমিশন সূত্রে খবর, ভোট ঘোষণার আগে থেকে তৃণমূলের ৮৩২ জন নেতা-কর্মী এবং আরও ১৪৪ জন (যাঁদের মধ্যে তৃণমূল সমর্থকেরাও রয়েছেন) ব্যক্তির নিরাপত্তার জন্য ২,১৮৫ জন পুলিশ কর্মীকে মোতায়েন করা হয়েছে। কেন শুধু শাসকদলের নেতাদের এত নিরাপত্তার প্রয়োজন হল? সেই বিষয়ে প্রশ্ন তুলেছে কমিশন। তারা রাজ্য পুলিশের ডিজি-কে জানিয়েছে, ওই বিষয়ে দু’-তিন দিনের মধ্যে কঠোর পদক্ষেপ করতে হবে। কমিশন জানিয়েছে, পুরো বিষয়টি পেশাদার এবং নিরপেক্ষ ভাবে পর্যালোচনা করতে হবে ডিজি-কে।

দিন কয়েক আগে উত্তপ্ত হয় মালদহ। পথ অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন বহু মানুষ। তাঁদের অভিযোগ, অনেকের কাছে বৈধ নথিপত্র থাকার পরেও ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ পড়ে গিয়েছে। এই নিয়ে রাজ্য পুলিশের ডিজি-কে ধমক দেয় কমিশন। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের ক্ষোভের মুখে পড়েন সিদ্ধনাথ এবং মালদহ পুলিশের সুপার অনুপম সিংহ। তাঁর প্রশ্ন, শুরুতেই কেন পদক্ষেপ করা হয়নি? সিইও অফিসের সামনে দু’দিন ধরে কেন গন্ডগোল চলছে? সেখানে এত লোক জমা হলেন কী ভাবে, সেই প্রশ্নও তুলেছেন জ্ঞানেশ। মালদহের ঘটনায় এনআইএ তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে কমিশন। এ বার ফের কমিশনের প্রশ্নের মুখে পড়লেন রাজ্য পুলিশের ডিজি।

Advertisement
আরও পড়ুন