West Bengal Election 2026

সক্রিয় অপরাধীদের তালিকায় কেন নাম নেই সোনা পাপ্পুর? কসবা থানার ওসি-কে সাসপেন্ড করল নির্বাচন কমিশন

কমিশন জানিয়েছিল, থানার ওসি বা এসএইচও-দের মাধ্যমে সব বিধানসভা কেন্দ্রে অশান্তিপ্রবণ এলাকা চিহ্নিত করতে হবে পুলিশকে। চিহ্নিত করতে হবে তাঁদের, যাঁরা আগের নির্বাচনে অপরাধে জড়িত ছিলেন।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা
শেষ আপডেট: ০৫ এপ্রিল ২০২৬ ১২:৩৯
সোনা পাপ্পু।

সোনা পাপ্পু। — ফাইল চিত্র।

সক্রিয় অপরাধীদের তালিকায় কেন নাম নেই সোনা পাপ্পু ওরফে বিশ্বজিৎ পোদ্দারের? এই প্রশ্ন তুলে কসবা থানার ওসি-কে সাসপেন্ড (নিলম্বিত) করল নির্বাচন কমিশন। ভোটের আগে রাজ্য এবং কলকাতা পুলিশকে পলাতক, ঘোষিত অপরাধীদের তালিকা তৈরি করার নির্দেশ দিয়েছিল কমিশন। সকল থানার ওসিদেরও এই নিয়ে কিছু দায়িত্ব দিয়েছিল। এ বার সেই নির্দেশ পালন না-করার অভিযোগে কসবা থানার ওসি-কে সাসপেন্ড করার সিদ্ধান্ত নিল কমিশন।

Advertisement

কমিশন নির্দেশ দিয়ে জানিয়েছিল, যত জামিন অযোগ্য পরোয়ানা ছিল, সেগুলি কার্যকর করার বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে এসডিপিও-দের। তাদের নির্দেশ, অবিলম্বে পলাতক অপরাধীদের তালিকা তৈরি করতে হবে। তালিকা তৈরি করতে হবে ঘোষিত অপরাধীদেরও। তাঁদের গ্রেফতার করার জন্য বিশেষ অভিযান চালাতে হবে। প্রয়োজনে লুকআউট সার্কুলার জারি করতে হবে পুলিশকে। এসডিপিও-দের নিজের কর্মক্ষেত্রের পাশের মহকুমা ও জেলার পুলিশ-প্রশাসনের সঙ্গে নিয়মিত বৈঠক করতে হবে। তাঁদের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য আদানপ্রদান করতে হবে।

কমিশন আরও জানিয়েছিল, থানার ওসি বা এসএইচও-দের মাধ্যমে সব বিধানসভা কেন্দ্রে অশান্তিপ্রবণ এলাকা চিহ্নিত করতে হবে। চিহ্নিত করতে হবে সেই সব ‘গুন্ডা ও দুষ্কৃতীদের’, যাঁরা আগের নির্বাচনে অপরাধে জড়িত ছিলেন। এই নির্দেশ কঠোর ভাবে পালন করতে হবে। থানাগুলির উদ্দেশে ১৬টি নির্দেশ জারি করেছিল নির্বাচন কমিশন। আগের নির্বাচনের সময় হওয়া সব অপরাধের তদন্ত দ্রুত শেষ করতে হবে। সব জামিন অযোগ্য পরোয়ানা দ্রুত কার্যকর করতে হবে। ১০ দিনের বেশি ঝুলিয়ে রাখা যাবে না। পলাতক আসামিদের তালিকা তৈরি করে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। নির্বাচনের সময় শান্তি বজায় রাখতে আগাম ব্যবস্থা নিতে হবে।

রবীন্দ্র সরোবরে গন্ডগোলের ঘটনায় নাম জড়ায় পাপ্পুর। এই ঘটনায় এখনও তাঁকে গ্রেফতার করা যায়নি। তাঁর বাড়িতে বুধবার তল্লাশি চালিয়ে প্রায় ২ কোটি টাকা উদ্ধার করে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। এ ছাড়াও সোনা পাপ্পুর বাড়ি থেকে একটি দামি গাড়ি এবং বেশ কিছু সম্পত্তির নথি বাজেয়াপ্ত করা হয়। ইডি সূত্রে জানানো হয়েছে, সোনা পাপ্পুর নামে বেশ কয়েকটি এফআইআর দায়ের হয়েছে। তোলাবাজি, হুমকি-সহ নানা অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। ইডি সূত্রে খবর, কসবা, বালিগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় বেশ কিছু সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ করেন সোনা পাপ্পু।

Advertisement
আরও পড়ুন