(বাঁ দিকে) নন্দলাল বসুর নাতি সুপ্রবুদ্ধ সেন এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (ডান দিকে)। — ফাইল চিত্র।
ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়ল শিল্পী নন্দলাল বসুর নাতি সুপ্রবুদ্ধ সেনের নাম। পাশাপাশি, তাঁর স্ত্রী দীপা সেনের নামও নেই ভোটার তালিকায়। বিষয়টি নিয়ে শোরগোল শুরু হতেই তাঁদের সব রকম সাহায্যের আশ্বাস দিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর অফিসের তরফে যোগাযোগ করা হচ্ছে বৃদ্ধ ওই দম্পতির সঙ্গে। একই সঙ্গে স্থানীয় কাউন্সিলর চন্দন মণ্ডলকে সুপ্রবুদ্ধের বাড়িতে যেতে বলেছিলেন অভিষেক। সেই নির্দেশ মতো চন্দন গিয়ে দেখা করে আসেন ওই দম্পতির সঙ্গে। অভিষেকের সাহায্যের বার্তা পৌঁছে দেন তিনি। উল্লেখ্য, শনিবার এই বোলপুরেই সভা রয়েছে ডায়মন্ড হারবারের সাংসদের।
সুপ্রবুদ্ধের বয়স ৮৮। তাঁর স্ত্রী দীপার বয়স ৮২। এসআইআর পর্ব শুরু হওয়ার পর শুনানিতে ওই দম্পতিকে ডেকে পাঠানো হয়েছিল। স্থানীয় সূত্রে খবর, সেই সময় শুনানিতে হাজিরা দিয়ে যাবতীয় নথি জমা করে এসেছিলেন সুপ্রবুদ্ধরা। যদিও পরে যখন এসআইআরের তালিকা প্রকাশ হয়, তখন দেখা যায় ওই দম্পতির নাম রয়েছে বিবেচনাধীন ভোটারদের তালিকায়। বিচারকেরা সেই তালিকার থাকা ভোটারদের তথ্য নিষ্পত্তি করছেন। ধাপে ধাপে বার হচ্ছে অতিরিক্ত ভোটার তালিকা। দেখা যায়, সুপ্রবুদ্ধ এবং তাঁর স্ত্রীর নাম জায়গা পায়নি ভোটার তালিকায়।
বাদ পড়া ভোটারেরা ট্রাইবুনালে আবেদন করতে পারবেন। সেই ট্রাইবুনালে নথি যাচাইয়ের কাজ করবেন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতিরা। সেখানে সুপ্রবুদ্ধরা কী ভাবে আবেদন করবেন, সেই সংক্রান্ত যাবতীয় সাহায্যের আশ্বাস দিয়েছেন অভিষেক। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বার বার দাবি করেছেন, যাঁদের নাম বাদ প়ড়ছে, তাঁদের সাহায্য করবে তৃণমূল। এমনকি, আর্থিক সাহায্যের কথাও জানান মমতা।