West Bengal Assembly Election 2026

দ্বিতীয় দফায় নজরদারি আরও আঁটোসাঁটো, ভিন্‌রাজ্য থেকে ১১ জন নতুন পুলিশ পর্যবেক্ষক নিয়োগ করল নির্বাচন কমিশন

এ বারের নির্বাচনের জন্য পশ্চিমবঙ্গে ৮৪ জন পুলিশ পর্যবেক্ষক নিয়োগ করেছিল কমিশন, যা এমনিতেই অন্যান্য বারের তুলনায় বেশি। দ্বিতীয় দফায় সংখ্যা আরও বাড়ানো হল।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা
শেষ আপডেট: ২৫ এপ্রিল ২০২৬ ১৩:২৯
মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার পশ্চিমবঙ্গের দ্বিতীয় দফার ভোটের জন্য আরও পুলিশ পর্যবেক্ষক নিয়োগ করেছেন।

মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার পশ্চিমবঙ্গের দ্বিতীয় দফার ভোটের জন্য আরও পুলিশ পর্যবেক্ষক নিয়োগ করেছেন। গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।

দ্বিতীয় দফার ভোটের আগে পশ্চিমবঙ্গে আরও ১১ জন পুলিশ পর্যবেক্ষক নিয়োগ করল নির্বাচন কমিশন। ভোটে নজরদারি আরও আঁটোসাঁটো করার উদ্দেশ্যেই এই পদক্ষেপ। কমিশন সূত্রে খবর, প্রথম দফার ভোটে যেটুকু অশান্তি হয়েছে, দ্বিতীয় দফায় তার সম্ভাবনাও দূর করতে চাইছে কমিশন। সেই কারণে পুলিশ পর্যবেক্ষকের সংখ্যা বাড়িয়ে দেওয়া হল।

Advertisement

এ বারের নির্বাচনের জন্য পশ্চিমবঙ্গে ৮৪ জন পুলিশ পর্যবেক্ষক নিয়োগ করেছিল কমিশন, যা অন্যান্য বারের তুলনায় বেশি। দ্বিতীয় দফায় সংখ্যা আরও বাড়ানো হল। স্পর্শকাতর এলাকাগুলি চিহ্নিত করে বাড়তি নজরদারির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই নতুন পুলিশ পর্যবেক্ষকেরা প্রত্যেকেই ভিন্‌রাজ্য থেকে আসছেন। তাঁদের নিরাপত্তার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে রাজ্য পুলিশকেই।

গত ২৩ এপ্রিল প্রথম দফায় ১৫২টি আসনে ভোটগ্রহণ হয়েছে। বাকি ১৪২টি আসনে ভোট রয়েছে আগামী বুধবার, ২৯ এপ্রিল। প্রথম দফার ভোট মোটের উপর শান্তিপূর্ণ হয়েছে। বুথে গিয়ে ভোট দিয়েছেন ৯২.৮৮ শতাংশ মানুষ। পশ্চিমবঙ্গের ভোটারদের অভিনন্দন জানিয়ে দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার জানিয়েছেন, স্বাধীনতার পর থেকে কখনও এ রাজ্যে ভোটদানের এই বিপুল হার দেখা যায়নি। দ্বিতীয় দফাতেও আরও বেশি করে মানুষকে বুথমুখী হওয়ার আর্জি জানানো হয়েছে। একাংশের দাবি, এসআইআর-এর কারণে এ বার ভোটদানের হার এত বেশি। অনেকেই ভয় পাচ্ছেন, ভোট না দিলে ভোটার তালিকা থেকে নাম কেটে যেতে পারে। যাঁরা কর্মসূত্রে বাইরে থাকেন, তাঁরাও ভোট দিতে এসেছেন। তবে প্রথম দফাতেও কিছু কিছু জায়গায় বিক্ষিপ্ত ভাবে অশান্তি হয়েছে। কোথাও এজেন্টকে বাধা দেওয়ার অভিযান, কোথাও ইভিএম খারাপ, কোথাও আবার নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের সমর্থকদের ভোট দিতে যেতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ জানান, বিজেপির তরফে কিছু বিষয় কমিশনের দৃষ্টিগোচর করা হয়েছে।

বহু দিন পর পশ্চিমবঙ্গে দুই দফায় ভোট হচ্ছে। কমিশন ভোটঘোষণার দিনই জানিয়েছিল, দফা কমানো হলেও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করতে সবরকম পদক্ষেপ করা হবে। সেই মতো এ বার কার্যত নজিরবিহীন ভাবে রাজ্যের ২৯৪টি কেন্দ্রের জন্য আলাদা আলাদা সাধারণ পর্যবেক্ষক নিয়োগ করা হয়েছে। পুলিশ ও আয়ব্যয়ের হিসাব সংক্রান্ত পর্যবেক্ষকের সংখ্যাও বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। প্রথম দফার পর পুলিশ পর্যবেক্ষক আরও বাড়ল।

Advertisement
আরও পড়ুন