Bizarre

শৌচাগারে বসতেই যেন ‘ভূমিকম্প’, তিন ঘণ্টা ধরে মল-মূত্রের ‘নরকে’ ডুবে রইলেন তরুণী! নাটকীয় ভাবে উদ্ধার

গাড়ি নিয়ে ফেরার পথে একটি সংরক্ষিত দুর্গম অঞ্চলে শৌচাগার ব্যবহার করতে যান তরুণী। সেখানকার ক্ষয়ে যাওয়া কাঠামো ভেঙে তিনি সোজা মল-মূত্র ভর্তি গর্তে পড়ে যান। তিন ঘণ্টা পর বহু কষ্টে উদ্ধার করা হয় তাঁকে।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ২৫ এপ্রিল ২০২৬ ১৪:২৯

ছবি: সংগৃহীত।

রাস্তার ধারের শৌচাগার ব্যবহার করতে গিয়ে তিন ঘণ্টা ধরে মল-মূত্রের মধ্যে পড়ে রইলেন এক তরুণী। লং ড্রপ টয়লেট বা মাটির গভীরে গর্ত করে তৈরি করা শৌচাগারের ঢাকনা ভেঙে গর্তে পড়ে যান তিনি। মেঝে ধসে পড়ে তিনি প্রায় দু’মিটার নীচে বর্জ্যের একটি গর্তে পড়ে যান। সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুসারে ঘটনাটি ঘটেছে অস্ট্রেলিয়ার অ্যালিস স্প্রিংস থেকে প্রায় ১৪৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত একটি দুর্গম স্থান হেনবারি মিটিওরাইটস কনজ়ারভেশন জ়োন নামের একটি সংরক্ষিত অঞ্চলে। দীর্ঘ ক্ষণ আটকে থাকার পর ৪৫ মিনিট ধরে উদ্ধার পর্ব চলে।

Advertisement

প্রতিবেদনে লেখা হয়েছে, তরুণী তাঁর স্বামী ও দুই সন্তানকে নিয়ে ডারউইনে আত্মীয়দের সঙ্গে দেখা করে বাড়ি ফিরছিলেন। পথে শৌচাগার ব্যবহারের প্রয়োজন পড়ে তরুণীর। তিনি শৌচাগারে যেতেই তার নড়বড়ে কাঠামোটি ভেঙে পড়ে। কোমরসমান ময়লার গর্তে আটকে পড়েন তিনি। প্রত্যন্ত ও দুর্গম অঞ্চলটিতে নেটওয়ার্ক না থাকায় সাহায্য চাইতে পারেননি তরুণী স্বামী। তিনি সাহায্যের জন্য সন্তানদের নিয়ে এক ঘণ্টা গাড়ি চালিয়ে নিকটতম শহরে যান।

তিন ঘণ্টা ধরে তরুণী মল-মূত্র এবং আবর্জনাময় পরিবেশে আটকে পড়েছিলেন। অবশেষে অ্যালিস স্প্রিংসের এক স্থানীয় ব্যবসায়ী তাকে খুঁজে পান। ঘটনাক্রমে তিনি এক বন্ধুর সঙ্গে সংরক্ষিত এলাকাটিতে ঘুরতে এসেছিলেন। উদ্ধার অভিযানটি ছিল ৪৫ মিনিটের এক যন্ত্রণাদায়ক প্রক্রিয়া। ভাল ভাবে ভিতরে ঢোকার জন্য মিস্ত্রিকে শৌচাগারটির অবশিষ্ট দেয়াল ও বেড়ার কিছু অংশ ভাঙতে হয়েছিল। একটি গাড়ির সঙ্গে টো-রোপ এবং স্ন্যাচ স্ট্র্যাপ লাগিয়ে তরুণীকে দুই মিটার গভীর গর্ত থেকে টেনে তুলে আনা হয়।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, ভয়াবহ এই অভিজ্ঞতার পরেও, তরুণী শরীরে কোনও বড়সড় আঘাত লাগেনি। কেবল সামান্য কাটাছেঁড়া ও কালশিটের দাগ ছিল। তাঁকে পরীক্ষার জন্য অ্যালিস স্প্রিংস হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। মানসিক ভাবে বিপর্যস্ত হলেও স্থিতিশীল অবস্থায় ছিলেন তিনি। প্রত্যক্ষদর্শীরা ঘটনাস্থলটিকে ‘নরক’ বলে বর্ণনা করেছেন। তাঁরা জানান, যখন তরুণীকে উদ্ধার করা হয় তখন তাঁর কোমর পর্যন্ত ডায়াপার ও মলমূত্র জমে ছিল।

Advertisement
আরও পড়ুন