IPS

রাজ‍্যের পাঁচ জন আইপিএস-কে আপাতত ভিন্‌রাজ্যে ভোটের কাজে যেতে হচ্ছে না! তবে বহাল বাকি ১০ জনের বদলির নির্দেশ

বুধবার রাতের নির্দেশিকায় ১৫ জনের তালিকা দিয়ে বলা হয়েছিল, অবিলম্বে তাঁদের ভিন্‌রাজ্যে গিয়ে নির্বাচনী কাজে যোগ দিতে হবে। তাঁদের মধ্যে পাঁচ জনকে আপাতত ভিন্‌রাজ্যে যেতে হচ্ছে না।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা
শেষ আপডেট: ১৯ মার্চ ২০২৬ ১৬:০৭
Several IPS officers are not required do not have to go to other states as election observers for the time being

—প্রতিনিধিত্বমূলক চিত্র।

আপাতত পশ্চিমবঙ্গের পাঁচ আইপিএস আধিকারিককে নির্বাচনের কাজে অন্য রাজ্যে যেতে হচ্ছে না। বুধবার রাতে নির্বাচন কমিশন জানিয়েছিল, রাজ্যের ১৫ জন আইপিএস আধিকারিককে নির্বাচনী পর্যবেক্ষক হিসাবে তামিলনাড়ু এবং কেরলে পাঠানো হচ্ছে। কমিশন সূত্রে খবর, আপাতত সেই তালিকায় থাকা পাঁচ আইপিএস অফিসারের জন্য ওই নির্দেশ কার্যকর হচ্ছে না। ওই পাঁচ জনের ক্ষেত্রে স্থগিতাদেশ জারি করা হয়েছে। তবে রাজ্যের বাকি অপসারিত ১০ জন আইপিএস আধিকারিকের জন্য পুরনো নির্দেশই বহাল থাকবে। অর্থাৎ, তাঁদের কেরল এবং তামিলনাড়ুতে যেতে হবে।

Advertisement

বুধবার রাতের নির্দেশিকায় ১৫ জনের তালিকা দিয়ে বলা হয়েছিল, অবিলম্বে তাঁদের ভিন্‌রাজ্যে গিয়ে নির্বাচনী কাজে যোগ দিতে হবে। এই ১৫ জনের তালিকায় ছিলেন আকাশ মাঘারিয়া, অলোক রাজোরিয়া, আমনদীপ, অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়, ভাস্কর মুখোপাধ্যায়, সি সুধাকর, ধৃতিমান সরকার, ইন্দিরা মুখোপাধ্যায়, মুরলীধর শর্মা, মুকেশ, প্রবীণকুমার ত্রিপাঠী, প্রিয়ব্রত রায়, সন্দীপ কাররা, রশিদ মুনির খান এবং ওয়াকার রাজ়া। কমিশন সূত্রে খবর, ওই তালিকায় থাকা আকাশ, আমনদীপ, প্রবীণ, মুরলীধর এবং ওয়াকারকে আপাতত যেতে হচ্ছে না।

কমিশন সূত্রে খবর, আপাতত ওই পাঁচ জন পুরনো দায়িত্বেই বহাল থাকবেন। এই পাঁচ জনের মুরলীধর বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেটের কমিশনার এবং ওয়াকার শিলিগুড়ির পুলিশ কমিশনার। সূত্রের খবর, আপাতত তাঁরা সেই পদেই থাকছেন। অন্য দিকে, বাকি তিন জনকে নবান্ন যে নতুন পদে বহাল করেছিল, আপাতত তাঁরা সেই দায়িত্বই পালন করবেন। উল্লেখ্য, হাওড়ার অপসারিত পুলিশ কমিশনার আকাশকে আইবির ডিআইজি করা হয়েছিল। বীরভূমের অপসারিত পুলিশ সুপার আমনদীপকে আইবির স্পেশাল সুপারিন্টেন্ডেন্ট পদে নিয়োগ করেছিল কমিশন। ব্যারাকপুরের পুলিশ কমিশনার ছিলেন প্রবীণ। তাঁকেও অপসারণ করেছিল কমিশন। তার পরে তাঁকে নবান্ন রাজ্য পুলিশের এসটিএফ-এর আইজি করে।

পশ্চিমবঙ্গের ভোটের ক্ষেত্রে কমিশনের এই ‘সক্রিয়তা’ নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রশ্ন তুলেছে শাসকদল তৃণমূল। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এ ভাবে অপসারণের পদক্ষেপে অসন্তোষ প্রকাশ করে দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে চিঠিও লেখেন। চিঠিতে তিনি অভিযোগ করেন, রাজ্য সরকারের সঙ্গে আগাম কোনও আলোচনা না-করে বা কোনও মতামত না-নিয়ে বদলি করা হচ্ছে। তিনি আরও জানান, অতীতে নির্বাচন চলাকালীন কোনও গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা আধিকারিককে সরানোর প্রয়োজন হলে কমিশনের পক্ষ থেকে সাধারণত রাজ্য সরকারের কাছে তিন জনের একটি প্যানেল চাওয়া হত। সেই তালিকা থেকে কমিশন নিজেই এক জনকে বেছে নিত। মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেন, এ বার সেই প্রচলিত রীতির ব্যতিক্রম ঘটেছে। প্রার্থিতালিকা ঘোষণার আগেও কমিশনকে এ বিষয়ে তোপ দাগেন মমতা। নিশানা করেন কেন্দ্রের বিজেপি সরকারকেও।

Advertisement
আরও পড়ুন