Sandeshkhali Clash

সেই সন্দেশখালি! বিজেপি করার ‘শাস্তি’ দিতে দোকান পুড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে! রাজনৈতিক তরজা চরমে

বিজেপি কর্মী দাবি করেছেন, ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের সময়েও এমন পরিস্থিতির সম্মুখীন হয়েছিলেন তাঁরা। সে বার তাঁর বাড়িতে ভাঙচুর করা হয়। আর এ বার বিধানসভা ভোটের মুখে পরিবারের আয়ের উৎস, একমাত্র দোকানটিতে আগুন ধরিয়ে দিয়েছে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা
শেষ আপডেট: ২৪ মার্চ ২০২৬ ১৪:০৯
Sandeshkhali Clash

সন্দেশখালিতে রাতের অন্ধকারে হিংসার অভিযোগ। পোড়ানো হয় দোকান। —নিজস্ব ছবি।

বিজেপি করার ‘অপরাধে’এক ছোট ব্যবসায়ীর দোকানে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। মঙ্গলবার সকাল থেকে ওই নিয়ে উত্তেজনা উত্তর ২৪ পরগনার সন্দেশখালি এলাকায়। যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল।

Advertisement

সন্দেশখালি বিধানসভার ১০৩ নং বুথ এলাকায় ফেরিঘাটের কাছে একটি দোকানছিল জনৈক নিরঞ্জন মণ্ডলের। দোকানটি চালাতেন নিরঞ্জনের বাবা। সোমবার গভীর রাতে ওই দোকান ভস্মীভূত হয়ে গিয়েছে। পদ্মশিবিরের দাবি, নিরঞ্জনের পরিবার তাদের সমর্থন করে বলে শাসকদলের দুষ্কৃতীদের এ হেন আক্রমণ।

নিরঞ্জন দাবি করেছেন, ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের সময়েও এমন পরিস্থিতির সম্মুখীন হয়েছিলেন তাঁরা। সে বার তাঁর বাড়িতে ভাঙচুর করা হয়। আর এ বার বিধানসভা ভোটের মুখে পরিবারের আয়ের উৎস, একমাত্র দোকানটিতে আগুন ধরিয়ে দিয়েছে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। তিনি বলেন, ‘‘ওই দোকানটি ভেঙে নদীতে ফেলে দেওয়া হয়েছিল। সে বার সকলের সামনে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা সেই কাণ্ড ঘটিয়েছিল। পরে আবার দোকান তৈরি করি আমরা। ওই দোকানের আয় থেকে আমাদের সংসার চলে। সোমবার রাতের অন্ধকারে দোকানে আগুন ধরিয়ে পুড়িয়ে দেওয়া হল!’’ তিনি জানান, লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি হয়েছে তাঁদের।

সন্দেশখালির বিজেপি নেত্রী পিয়ালি দাস বলেন, ‘‘তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা সন্দেশখালিতে বরাবরই বিরোধীদের উপর আক্রমণ করে আসছে। মারধর, আগুনে পুড়িয়ে দেওয়ার মতো ঘটনা ঘটিয়ে চালাচ্ছে। এ বার ভোটেও তার কোনও ব্যতিক্রম হচ্ছে না। ভোট এসেছে। তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা বিজেপির কর্মী-সমর্থকদের উপর অত্যাচার শুরু করে দিয়েছে। পুলিশ যেন সঠিক তদন্ত করে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেয়, এটাই আমাদের আবেদন।’’

পাল্টা সন্দেশখালি-১ ব্লকের তৃণমূলের সভাপতি ইমাম আলি গাজির দাবি, বিজেপি ইচ্ছাকৃত এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবে তৃণমূলকে কালিমালিপ্ত করার জন্য এ সব করছে। তাঁর কথায়, ‘‘হিংসাত্মক রাজনীতিতে তৃণমূল বিশ্বাস করে না। সন্দেশখালিতে বিজেপি হালে পানি পাচ্ছে না। ওদের পায়ের তলায় মাটি নেই। তাই তৃণমূলের ঘাড়ে দোষ দিচ্ছে। আমি পুলিশকে বলব, পুরো বিষয়টি তদন্ত করে দেখতে। প্রকৃত দোষীদের খুঁজে বার করলেই সব পরিষ্কার হয়ে যাবে।’’

Advertisement
আরও পড়ুন