Akaansha Ranjan

‘অস্ত্রোপচার কেন করাবি?’ ডিম্বাণু সংরক্ষণ পদ্ধতিতে প্রবল যন্ত্রণা! আকাঙ্ক্ষাকে তাঁর মা কী বলেন?

আকাঙ্ক্ষা জানান, তাঁর এই সিদ্ধান্ত অনেকের কাছেই অস্বাভাবিক মনে হতে পারে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার শুরুতে তাঁর বাবা-মাও কিছুটা চিন্তিত ও বিভ্রান্ত হয়েছিলেন। পরে তাঁরা মেয়ের সিদ্ধান্তকে বোঝেন এবং সমর্থনও করেন।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ২৩ জুন ২০২৬ ১৬:৫৭
ডিম্বাণু সংরক্ষণ নিয়ে আকাঙ্ক্ষাকে তাঁর মা কী বললেন?

ডিম্বাণু সংরক্ষণ নিয়ে আকাঙ্ক্ষাকে তাঁর মা কী বললেন? ছবি: সংগৃহীত।

গত কয়েক বছরে বিনোদনজগতের তারকারা খোলাখুলি ডিম্বাণু সংরক্ষণ নিয়ে কথা বলেছেন। সন্তানধারণের প্রক্রিয়া হিসাবে এটি ক্রমশ প্রচলিত হচ্ছে মহিলাদের মধ্যে। অভিনেত্রী আকাঙ্ক্ষা রঞ্জনও নিজের ডিম্বাণু সংরক্ষণ করেছেন। সম্প্রতি এই বিষয়ে মুখ খুলেছেন তিনি।

Advertisement

সাক্ষাৎকারে আকাঙ্ক্ষা জানান, তাঁর এই সিদ্ধান্ত অনেকের কাছেই অস্বাভাবিক মনে হতে পারে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার শুরুতে তাঁর বাবা-মাও কিছুটা চিন্তিত ও বিভ্রান্ত হয়েছিলেন। পরে তাঁরা মেয়ের সিদ্ধান্তকে বোঝেন এবং সমর্থনও করেন। তবে বাবা-মাকে আলাদা করে বোঝাতে হয়নি কিছুই, জানান আকাঙ্ক্ষা। মেয়ের সিদ্ধান্তের উপর ভরসা তৈরি হয় নিজে থেকেই। অভিনেত্রী বলেন, “আমার মনে হয় আমি এখন এমন একটা বয়সে আছি, যেখানে আমার বাবা-মা আমার সিদ্ধান্তের উপর পুরোপুরি ভরসা করেন। তাই কোনও বিষয় নিয়ে আমাকে তাঁদের বার বার বোঝাতে হয় না।”

ডিম্বাণু সংরক্ষণের বিষয়টি প্রথমে আকাঙ্ক্ষার থেকে জানতে চেয়েছিলেন তাঁর বাবা। অভিনেত্রীর কথায়, “আমার বাবার বিষয়টা সম্পর্কে বুঝতে চেয়েছিলেন। কারণ, এটা তাঁর কাছে একেবারে নতুন। এক জন পুরুষ হিসাবে নারীদের শরীরের বয়সজনিত পরিবর্তনগুলো তিনি বুঝবেন না, সেটাই স্বাভাবিক।”

আকাঙ্ক্ষা জানান, তাঁর মা-ও প্রথমে এই চিকিৎসাপদ্ধতি নিয়ে চিন্তিত ছিলেন। তিনি বলেন, “আমার মা প্রথমে বলেছিলেন, ‘অস্ত্রোপচার কেন করতে হবে?’ শুরুতে তিনি একটু চিন্তায় ছিলেন। কিন্তু আমি যখন তাঁকে বুঝিয়ে বললাম, আমার মনে কী চলছে এবং কেন আমি এই সিদ্ধান্ত নিচ্ছি, তখন তিনি অনায়াসেই বুঝতে পারেন।”

আকাঙ্ক্ষা জানান, তাঁর মা ভীষণ ভাবে তাঁর পাশে ছিলেন। একসময়ে আকাঙ্ক্ষাকে তাঁর বাবা-মা বলেছিল‌েন, “তোমাকে নিয়ে আমরা গর্বিত।” অভিনেত্রীর মতে, পরিবারের এই নিঃশর্ত সমর্থন পুরো প্রক্রিয়াটিকে আরও সহজ করে দিয়েছিল। তিনি বলেন, “আমাকে তাঁদের বোঝাতে হয়নি। আমার উপর তাঁদের এতটাই বিশ্বাস রয়েছে। আর আমারও মনে হয়, এটা ছিল সঠিক সিদ্ধান্ত।”

আগেও এক সাক্ষাৎকারে ডিম্বাণু সংরক্ষণের অভিজ্ঞতা ভাগ করে নিয়েছিলেন আকাঙ্ক্ষা। ৩২ বছর অভিনেত্রী ছবি ভাগ করে নিয়েছিলেন হাসপাতাল থেকে। আকাঙ্ক্ষার ভাগ করে নেওয়া প্রথম ছবিতে দেখা যায়, অভিনেত্রী হাসপাতালের বিছানায় বসে খাচ্ছেন। তিনি জানিয়েছিলেন, প্রতিদিন তাঁকে মোটা সূচের ইনজেকশন ফোটাতে হয়েছে। এর পাশাপাশি হরমোনের পরিবর্তন, পেট ফোলা, মেজাজের ওঠানামা, বার বার নানা ধরনের ওষুধ, আইভি ড্রিপ এবং শেষে অস্ত্রোপচার— সব কিছুই সহ্য করতে হয়েছে। সামান্য হাঁটাচলা করতেও কষ্ট হচ্ছিল বলে মনে করেছিলেন তিনি।

Advertisement
আরও পড়ুন