পোষ্যকে নিয়ে কোন প্রতিজ্ঞা মঞ্জরীর? ছবি: সংগৃহীত।
প্রিয় পোষ্যকে নৃশংস ভাবে হত্যা করা হয়েছে। ক্যামেরার সামনে এসে অভিযোগ জানিয়েছিলেন অভিনেত্রী মঞ্জরী ফডণীস। কথা বলতে বলতে কান্নায় ভেঙে পড়েছিলেন তিনি। পোষ্য কুকুরের মর্মান্তিক মৃত্যুর বিচারের দাবিতে সরব হয়েছিলেন তিনি।
১৪ জুন মঞ্জরী আবার মনে করিয়ে দিলেন, তিনি লড়াই থামাননি। তিনি এখনও মাইকির বিচারের দাবিতে সরব রয়েছেন। রবিবার মঞ্জরী আরও একটি পোস্ট শেয়ার করেছেন। সেখানে তিনি মাইকির ন্যায়বিচার পাওয়ার লড়াই চালিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন। মাইকির সঙ্গে মর্মান্তিক ঘটনা ঘটার পর থেকে দু’চোখের পাতা এক করতে পারেননি বলেও জানান অভিনেত্রী। মঞ্জরী তাঁর পোস্টে লেখেন, “এখানে বসবাসকারী কেউই সেই ঘটনার কথা জানার পর থেকে ভাল ভাবে ঘুমোতে পারেননি।”
মাইকির উদ্দেশে তিনি আরও লেখেন, “এই আবাসনে অনেক মানুষ আছেন, যারা তোমাকে ভালবাসেন। এরা তোমার হত্যাকারীদের বিরুদ্ধে প্রমাণ জোগাড় করতে এবং পুলিশকে তদন্তে সাহায্য করতে দিন-রাত এক করে কাজ করছেন। আমরা আমাদের সাধ্যমতো সব রকম সাহায্য করব এবং যতক্ষণ না ওই মানুষগুলো দোষী প্রমাণিত হয়ে শাস্তি পাচ্ছে, ততক্ষণ আমরা থামব না।”
গত ৯ জুন একটি ভিডিয়োবার্তার মাধ্যমে মঞ্জরী জানান, তিনি যে আবাসনে থাকেন, সেখানেই মাইকি নামের সারমেয়টি থাকত। সারমেয়টিকে আগে একটি পরিবার দত্তক নিয়েছিল। কিন্তু তারা এই আবাসনে মাইকিকে ছেড়ে চলে যায়। তার পর থেকে আবাসনের বাসিন্দারাই দেখভাল করে মাইকির। কিন্তু কয়েক দিন ধরে নিখোঁজ ছিল সে। সেই সারমেয়র পরিণতির কথা পরে এক প্রতিবেশীর থেকে জানতে পারেন মঞ্জরী। পোষ্যকে রড দিয়ে পিটিয়ে মারা হয়েছে বলে জানিয়েছিলেন। তিনি ভিডিয়োবার্তায় বলেন, “আমি কখনও ভাবিনি এমন একটা বিষয় নিয়ে ভিডিয়ো করতে হবে। কিন্তু বিষয়টা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।”
রবিবারের পোস্টে মঞ্জরী বলেন যে, দোষীরা হয়তো ভেবেছিল মাইকি একটি পথকুকুর। তাই সে হঠাৎ নিখোঁজ হয়ে গেলেও কেউ চিন্তা করবে না। কিন্তু তারা বুঝতে পারেনি, এই আবাসনই ছিল মাইকির বাড়ি এবং সেখানে তার একাধিক পরিবার ছিল। মঞ্জরী মাইকির উদ্দেশে তাঁর পোস্টে লেখেন, “আমরা তোমাকে খুব ভালবাসি, বাবু। তুমি এখন শান্তিতে বিশ্রাম নাও। আর আমরা সবাই মিলে পুরো ঘটনার সত্যিটা সামনে আনব। তোমার বাকি বন্ধুদেরও নিরাপদ রাখার চেষ্টা করব।”