Vijay Deverakonda-Rashmika Mandanna

১৮০ পড়ুয়ার জন্য বড় উদ্যোগ বিজয়ের! শ্বশুরের শৈশবের গ্রাম নিয়ে আবেগে ভাসলেন রশ্মিকা

বিয়ের পরেই তেলঙ্গানার শিক্ষার উন্নতির জন্য প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন বিজয় ও রশ্মিকা। রবিবার তেলঙ্গানার থুম্মানপেট গ্রামে রশ্মিকাকে নিয়ে যান বিজয়।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ১৪ জুন ২০২৬ ১৮:২৬
বড় উদ্যোগ রশ্মিকা ও বিজয়ের!

বড় উদ্যোগ রশ্মিকা ও বিজয়ের! ছবি: সংগৃহীত।

ফেব্রুয়ারি মাসে বিয়ে করেছেন বিজয় দেবরকোন্ডা ও রশ্মিকা মন্দানা। বিয়ের পরেই তারকাদম্পতি বিশেষ ঘোষণা করেছিলেন। জানিয়েছিলেন, তেলঙ্গানায় নবম ও দশম শ্রেণির ছাত্রছাত্রীদের স্কলারশিপের ব্যবস্থা করবেন। কথা রাখলেন তাঁরা। ১৮০ জন পড়ুয়াকে স্কলারশিপ দিলেন।

Advertisement

বিয়ের পরেই তেলঙ্গানার শিক্ষার উন্নতির জন্য প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন বিজয় ও রশ্মিকা। রবিবার তেলঙ্গানার থুম্মানপেট গ্রামে রশ্মিকাকে নিয়ে যান বিজয়। সেখানেই দক্ষিণী তারকা জানান, ভাল ফল করেছে যে পড়ুয়ারা, তাদের স্কলারশিপ দেওয়া তাঁর বহু দিনের স্বপ্ন। কর্মজীবনে মানুষের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ ভালবাসা পেয়েছেন। সেটাই ফিরিয়ে দিতে চান বলে জানান অভিনেতা।

বিজয় তাঁর সমাজমাধ্যমে স্কলারশিপ পাওয়া পড়ুয়াদের তালিকা প্রকাশ করেন। সেই সঙ্গে তিনি লেখেন, “আমরা থুম্মানপেটের দিকে যাচ্ছি। এই ছোট গ্রামেই আমার বাবার জন্ম। ফেব্রুয়ারিতে আমি এবং রশ্মিকা আমাদের এই ছোট স্বপ্নের কথা জানিয়েছিলাম। নবম ও দশম শ্রেণির পরিশ্রমী পড়ুয়াদের উৎসাহ দেওয়ার জন্যই এমন ভাবা হয়েছিল। এই ১৮০ জন শিশু নিজেদের বাবা-মাকে গর্বিত করেছে।”

অনুষ্ঠানে পড়ুয়া ও তাঁদের পরিবারের সঙ্গেও কথা বলেন বিজয়। তিনি বলেন, “এই ছোট স্কলারশিপ হয়তো খুব বড় কিছু নয়। কিন্তু আমাদের কাছে এটি খুব গুরুত্বপূর্ণ। আমিও তোমাদের জীবনের অংশ হতে চাই। আমার গ্রামের পর এই উদ্যোগটা গোটা তেলঙ্গানায় নিয়ে যেতে চাই। এটি আমার স্বপ্ন। আমি তোমাদের পরিশ্রম, শৃঙ্খলা এবং মনোযোগকে সম্মান জানাতে চেয়েছি মাত্র।”

রশ্মিকাও পড়ুয়াদের অভিনন্দন জানান এবং বলেন, “আজ আমি বেশি কথা বলব না। তবে আজ ‘দ্য দেবরকোন্ডা ফাউন্ডেশন’-এর মাধ্যমে আমরা একটি ভাল কাজ শুরু করছি। আমরা ঠিকই করেছিলাম, এই উদ্যোগ আচমপেট এবং থুম্মানপেট থেকে শুরু করব। কারণ, এটি আমার শ্বশুরমশাইয়ের গ্রাম। আজ আমি আপনাদের সামনে রশ্মিকা মন্দানা দেবরকোন্ডা হিসাবে কথা বলছি।”

চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে বিজয় ও রশ্মিকা থুম্মানপেট গ্রামে তাঁদের নতুন বাড়ির গৃহপ্রবেশ এবং সত্যনারায়ণ পুজো করতে গিয়েছিলেন। সেই সময়েই তাঁরা এই উদ্যোগের কথা জানিয়েছিলেন। এই প্রকল্পের লক্ষ্য হল, গুরুত্বপূর্ণ সময়ে পড়ুয়াদের পড়াশোনা চালিয়ে যেতে আর্থিক সাহায্য করা।

উল্লেখ্য, ২০২৬ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি চার হাত এক করেছিলেন বিজয় ও রশ্মিকা। ঘনিষ্ঠ পরিজনকে নিয়ে উদয়পুরে বসেছিল বিয়ের আসর। হায়দরাবাদে ফিরে তাঁরা আয়োজন করেছিলেন প্রীতিভোজের।

Advertisement
আরও পড়ুন