রঙিন রাতের আয়োজন ফিকে? ছবি: সংগৃহীত।
বলা হয়, টলিপাড়ায় কে কত বড় পার্টির আয়োজন করছে, তার নিরিখে অনেক কিছুই নির্ভর করে। স্টুডিয়োপাড়ার রাত বড়ই রঙিন। সাধ করে এমনই এক বড় পার্টির আয়োজন করেছিলেন টলিপাড়ার এক প্রযোজক-পরিচালকের স্ত্রী। ঘটা করে নেমন্তন্ন করেছিলেন ইন্ডাস্ট্রির প্রায় সবাইকে। সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা ছিল খানাপিনার।
নাচ-গানে মজেছিলেন প্রায় সবাই। রাত বাড়তে আসর আরও জমে। কিন্তু অনেকে আগেই বাড়ি ফিরে যাওয়ার আগে ঢুঁ দেন নৈশভোজে কী আছে দেখতে। সেই খোঁজ করতে গিয়ে তো আর এক কাণ্ড! টলিপাড়ার এক পরিচালক তো ভেবে বসেন, হয়তো শুধু ‘স্টার্টার’ খেয়েই বাড়ি ফিরতে হবে। সেইমতো অনেকে বেরিয়েও যান।
তার পরে নৈশভোজের আয়োজন দেখে আমন্ত্রিতদের অনেকেই হতভম্ব! নামজাদা হোটেলে পার্টি। সঙ্গে অঢেল মকটেল, ককটেল, সেই সঙ্গে চটপটা খাবারের আয়োজন। অথচ, রাতের খাবারে শুধুমাত্র এক ধরনের পদ! কেউ কেউ তো না খেয়েই চম্পট দিলেন। আবার কেউ কেউ ফিসফাস জুড়লেন সেখানেই। আবার একাংশ তো পার্টি থেকে বেরিয়ে ব্যক্তিগত ভাবে এদিক-ওদিক ভোজনের আয়োজনেও উদ্যোগী হলেন।