West bengal phase 2 polls

‘দিদি এলে তো বলবই, কেন্দ্রকেও জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণের পরিকল্পনা নিতে আর্জি জানাব’, দেবের কথায় উঠে এল কর্মসংস্থানও

ভোটের প্রচারে নানা বিষয় নিয়ে কথা বলেছেন। কোনও রকম ধর্মীয় বিষয় যাতে ভোটের ‘ইস্যু’ না হয়ে ওঠে, সেই বার্তাও দিয়েছেন তিনি। ভোট দিয়ে কী বললেন দেব?

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা
শেষ আপডেট: ২৯ এপ্রিল ২০২৬ ১৬:০৫
ভোট দিয়ে কী বললেন দেব?

ভোট দিয়ে কী বললেন দেব? ছবি: সংগৃহীত।

রাজ্যে চলছে দ্বিতীয় দফার নির্বাচন। মাসখানেক ধরে দলের হয়ে দফায় দফায় প্রচার করেছেন তৃণমূল সাংসদ অভিনেতা দেব। বুধবার সাউথ সিটির স্কুলে ভোট দিয়ে দেবের বার্তা, সকলে যেন গণতান্ত্রিক এই প্রক্রিয়ায় শামিল হন।

Advertisement

ভোট দেওয়ার পরে সংবাদমাধ্যমকে দেব বলেন, “ভোটের মাধ্যমে আমরা একটা ভাল সরকার এবং একটা ভাল ভবিষ্যৎ যেন পাই।” এখনও পর্যন্ত শান্তিপূর্ণ ভোট হয়েছে এবং যথেষ্ট সংখ্যক মানুষ ভোট দিয়েছেন বলে মনে করেন দেবও। অভিনেতার কথায়, “এটাই তো হওয়া উচিত। যত বেশি ভোট পড়বে, ততই তো ভাল। প্রতিটা ভোটের গুরুত্ব আছে, এটা মানুষকে বুঝতে হবে।”

এ বার কি তাঁর দলের জন্য লড়াই আরও কঠিন? কী আশা করছেন দেব এ বারের নির্বাচনে? অভিনেতা-সাংসদের স্পষ্ট জবাব, “আমি দলের কর্মী হিসাবে চাইব, আমার দলই জিতুক। যে দলের হয়ে এক মাস প্রচার করেছি, চাইব তারাই জিতুক। অন্য দলীয় কর্মীদের মতোই আমি চাই, চতুর্থ বারের জন্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শপথ নিন। এটা আমার ইচ্ছা। কিন্তু বাকিটা ৪ মে আমরা সবাই জানতে পারব।”

ভোটের প্রচারে নানা বিষয় নিয়ে কথা বলেছেন দেব। কোনও রকম ধর্মীয় বিষয় যাতে ভোটের ‘ইস্যু’ না হয়ে ওঠে, সেই বার্তাও দিয়েছেন তিনি। বুধবার ভোট দিয়ে দেব বলেন, “বার বার বলেছি, আমাদের দেশ ধর্মনিরপেক্ষ দেশ। তাই সব রকমের জাতি, ধর্মকে সম্মান করতে হবে। বিশেষত দেশ চালান যাঁরা, তাঁদের ধর্মনিরপেক্ষ থাকতে হবে। মুখ্যমন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রী তো আসবে-যাবে। কিন্তু নির্বাচন কমিশন, সেনাবাহিনী, ইডি এদের তো ধর্মনিরপেক্ষ থাকতেই হয়। ”

দেবের কথা, “আমি চাই, আমার দলই জিতুক। কিন্তু কে কাকে ভোট দেবেন, তা আমি বলতে পারব না। আমি তো ভগবান নই যে ভবিষ্যদ্বাণী করতে পারব। এটুকুই বলব, মানুষ নিজের পছন্দমতো প্রার্থীকে ভোট দিন।”

ভবিষ্যতে কোন কোন বিষয়ে পরিবর্তন দেখতে চান, সেই বিষয়েও নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন দেব। প্রথমেই তিনি জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণের কথা বলেন। তার পরেই তাঁর মুখে কর্মসংস্থানের প্রসঙ্গ। অভিনেতা তথা সাংসদ বলেন, “আমি জানি না, এটা বলা ঠিক হবে কি না। তবে সত্যি বলতে, রাজ্যে তথা গোটা দেশেই জনসংখ্যা প্রবল ভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। চাকরির অবস্থাও দেখতেই পাচ্ছেন সবাই। চিনের জনসংখ্যাও ছাপিয়ে গিয়েছে আমাদের দেশ। অথচ আয়তনে চিন কত বড়!”

কী ভাবে জনসংখ্যার নিয়ন্ত্রণ হবে? দেবের উত্তর, “পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ২০-২৫ বছর তো লাগবেই। দিদি যদি সরকার গড়েন তা হলে দিদিকে বলব, অথবা অন্য কেউ এলে তাকে। আসলে কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে আর্জি রাখব, যাতে প্রতিটি রাজ্যে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে আনার পরিকল্পনা করা হয়। দীর্ঘ সময় লাগবে। ঘাটাল মাস্টার প্ল্যানের মতো পাঁচ বছরের পরিকল্পনা নয় এটা।”

Advertisement
আরও পড়ুন