আশাকে শেষশ্রদ্ধা জানাচ্ছেন সচিন তেন্ডুলকর। ছবি: রয়টার্স।
মুম্বইয়ের লোয়ার পরলে শোকের আবহ। সোমবার শেষযাত্রার আগে আশা ভোসলেকে তাঁর বাসভবনেই শ্রদ্ধা জানাতে উপস্থিত তাঁর পরিজন ও অনুরাগীরা। কাসা গ্র্যান্ডে শিল্পীর বাড়িতে সোমবার পৌঁছে যান মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফডণবীস। সেখানেই প্রয়াত শিল্পীকে শেষশ্রদ্ধা জানান তিনি।
আশার শায়িত দেহে দেশের জাতীয় পতাকা জড়িয়ে দেওয়া হয় এই দিন। রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সম্মান জানানো হয় তাঁকে। তাঁর দেহ সেখানে দুপুর ২টো পর্যন্ত থাকবে। ইতিমধ্যেই সেখানে বলিউডের বহু তারকা এসে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন। আশার পরিবারের সকলেও সোমবার শ্রদ্ধা জানাতে আসেন।
তারকাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন রিতেশ দেশমুখ, তব্বু। সপরিবার শ্রদ্ধা জানাতে এসেছিলেন সচিন তেন্ডুলকরও। ক্রিকেটতারকা কেঁদেও ফেলেন। বিকেল ৪টের সময়ে শিবাজী পার্কে আশার শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে।
উল্লেখ্য, শনিবার আচমকা অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন আশা ভোসলে। খবর ছড়াতেই উদ্বেগ ছড়ায় অনুরাগীদের মধ্যে। সকলে প্রার্থনা শুরু করেছিলেন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীও উদ্বেগ প্রকাশ করে লিখেছিলেন, “আশা ভোসলেজি হাসপাতালে ভর্তি শুনে গভীর ভাবে চিন্তিত। ওঁর দ্রুত সুস্থতা কামনা করছি।” তবে শেষরক্ষা হয়নি। রবিবার প্রয়াত হন আশা ভোসলে। মুম্বইয়ের ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালের চিকিৎসক প্রতীত সমদানি জানান, একাধিক অঙ্গ বিকল হওয়ার কারণে মৃত্যু হয়েছে আশা ভোসলের।
উল্লেখ্য, দীর্ঘ কর্মজীবনে তিনি ভারতের বিভিন্ন ভাষায় অজস্র চলচ্চিত্র ও অ্যালবামের জন্য অসংখ্য গান রেকর্ড করেছেন এবং বহু পুরস্কার অর্জন করেছেন। তিনি দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কারে সম্মানিত হয়েছেন, ২০০৮ সালে পেয়েছেন পদ্মভূষণ। এ ছাড়া, ১৯৯৭ সালে গ্র্যামির জন্য মনোনীত হয়েছিলেন তিনি।