কোন কোন তারকা বিয়েতে খরচ করতে চাননি? ছবি: সংগৃহীত।
প্রচারের আলো থেকে দূরে, একান্তে বিয়ে সেরে ফেলাই এখন অনেক খ্যাতনামীর দস্তুর। এই ধারা শুরু করেছিলেন বিরাট কোহলি এবং অনুষ্কা শর্মা। তবে লোকচক্ষুর আড়াল হলেও খরচ হয় বিপুল। সাধারণত তারকারা বিয়ের জন্য বেছে নেন বিদেশের কোনও রিসর্ট অথবা দেশের মধ্যেই বিলাসবহুল কোনও স্থান। সাম্প্রতিক সময়ে অধিকাংশ তারকাই ‘ডেস্টিনেশন ওয়েডিং’-এ বিশ্বাসী। যদিও এমন বহু তারকাই রয়েছেন যাঁরা বাড়িতে ছিমছাম বিয়ের অনুষ্ঠানই বেছে নেন।
করিনা ও সইফ
অমৃতা সিংহের সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদের পরে একটা লম্বা সময় সিঙ্গল ছিলেন সইফ আলি খান। তার পর ‘টশন’ ছবির সময় করিনা কপূরের সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। টানা চার বছর সম্পর্কে থাকার পর সইফের সঙ্গে ২০১২ সালে গাঁটছড়া বাঁধেন করিনা। বিয়েতে কোনও এলাহি আয়োজন নয়। বাড়িতেই বিয়ে সারেন করিনা-সইফ। তবে বিয়ের পর শাশুড়ি শর্মিলা ঠাকুর নবদম্পতির জন্য দিল্লিতে একটি প্রীতিভোজের আয়োজন করেন।
অমৃতা ও আনমোল
২০১৪ সালে ১৫ মে চুপিচুপি বিয়ে করেন অমৃতা রাও। অভিনেত্রী বিয়েটা এতই চুপিসারে সারেন যে, খরচ হয়েছিল মোটে দেড় লাখ টাকা। যেখানে বলিউডের নায়ক-নায়িকারা বিয়েতে কোটি কোটি টাকা ব্যয় করেন, সেখানে অমৃতা একেবারে ব্যতিক্রমী। খ্যাতনামী রেডিয়ো উপস্থাপক আনমোলের সঙ্গে সাতপাকে বাঁধা পড়েন অভিনেত্রী, মুম্বইয়ের ইস্কন মন্দিরে। অমৃতা এক সাক্ষাৎকারে জানান, তাঁরা সব সময়ে চেয়েছিলেন তাঁদের বিয়েটা হোক পরিবার এবং ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের উপস্থিতিতে। অমৃতা সাফ জানান, বিয়েতে দু’জনেই খুব বেশি খরচ করেননি এবং এই সিদ্ধান্তে খুশি তাঁরা।
কুণাল ও সোহা
বিয়ের ক্ষেত্রে দাদা সইফ আলি খানের পথেই হেঁটেছেন বোন। ২০১৫-য় বিয়ে করেছিলেন সোহা আলি খান ও কুণাল খেমু। ঘনিষ্ঠ বন্ধু ও পরিজনকে সাক্ষী রেখে বিয়ে করেছিলেন তারকাজুটি। একেবারে ঘরোয়া পরিবেশে সোহা-কুণালের বিয়ের সেই ভিডিয়ো দেখে সেই সময় মুগ্ধ হন নেটাগরিকেরা। কুণাল ও সোহার বিয়েতে সে ভাবে ছিল না কোনও প্রীতিভোজের অনুষ্ঠান।
নেহা ও অঙ্গদ
২০১৮ সালে গাঁটছড়া বাঁধেন অভিনেত্রী নেহা ধুপিয়া এবং অভিনেতা অঙ্গদ বেদী। চার বছর আগে থেকেই নেহার মন জয় করার চেষ্টায় ছিলেন তিনি। অঙ্গদের কথায়, নেহার পিছনে পড়েছিলেন তিনি। বিয়েতে তেমন কোনও আয়োজন ছিল না। দিল্লিতে একটা গুরুদ্বারে পরিবার ও আত্মীয় পরিজনদের উপস্থিতি বিয়ে করেন নেহা ও অঙ্গদ।
শাহিদ ও মীরা
করিনা কপূরের সঙ্গে তাঁর প্রেম ভাঙার পর আরও বেশ কিছু অভিনেত্রীর সঙ্গে সম্পর্কের গুঞ্জন শোনা যায় শাহিদ কপূরের। যদিও কোনও প্রেমই দীর্ঘস্থায়ী হয়নি তাঁর। শেষমেশ ২০১৫ সালের জুলাইয়ে শাহিদ কপূর বিয়ে করেন মীরা রাজপুতকে। একেবারে সম্বন্ধ করে বিয়ে হয় তাঁদের। হাতে হাত রেখে বিয়ের সাজে প্রথম মিডিয়ার সামনে আসেন দু'জনে। গোলাপি শাড়ি এবং ন্যূনতম মেকআপে অনন্য লেগেছিল মীরাকে। ঘরোয়া ভাবে পরিবারের উপস্থিতিতে চার হাত এক হয় শাহিদ-মীরার।