kiara advani

মেয়ের জন্মের পরে কথায় কথায় কেঁদে ফেলতেন কিয়ারা! সেই সময়ে স্ত্রীর অবসাদ কাটাতে কী করেন স্বামী সিদ্ধার্থ?

উনিশ থেকে বিশ হলেই নিজের আবেগ ধরে রাখতে পারতেন না কিয়ারা। সেই সময়ে স্বামী হিসাবে সিদ্ধার্থ মলহোত্রকে কতটা পাশে পেয়েছিলেন?

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা
শেষ আপডেট: ১১ মে ২০২৬ ১৬:৩৪
কিয়ারাকে কতটা সঙ্গ দেন সিদ্ধার্থ।

কিয়ারাকে কতটা সঙ্গ দেন সিদ্ধার্থ। ছবি: সংগৃহীত।

কিয়ারা আডবাণীকে খুব শীঘ্রই দেখা যাবে অভিনেতা যশের বিপরীতে ‘টক্সিক: আ ফেয়ারি টেল ফর গ্রোন আপস’ ছবিতে। গত বছরই কন্যাসন্তানের মা হয়েছেন। মেয়ে সরায়াহের বয়স এখন ১০ মাস। প্রথম ছ’মাস খুবই মানসিক কষ্টের মধ্যে দিয়ে গিয়েছেন কিয়ারা। ক্ষণে ক্ষণে কেঁদে উঠতেন। উনিশ থেকে বিশ হলেই নিজের আবেগ ধরে রাখতে পারতেন না। সেই সময়ে স্বামী হিসাবে সিদ্ধার্থ মলহোত্রকে কতটা পাশে পেয়েছিলেন?

Advertisement

কিয়ারা জানান, একটা সময় ছিল যখন আবেগ নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারতেন না। নিজেকে এলোমেলো মনে হত কিয়ারার। তখন স্বামী সিদ্ধার্থও সারা ক্ষণ পাশে থাকতে পারতেন না। তিনি নিজের সিনেমার প্রচার করছিলেন। কিয়ারা জানান, বহু পুরুষ বুঝতেই পারেন না যে, ওই সময়ে কী ভাবে তাঁরা স্ত্রীকে সঙ্গ দেবেন! ওই সময়ে নতুন মায়েরা সন্তানদের দেখভালে এতই ব্যস্ত হয়ে পড়েন যে, তাঁরা মানসিক স্বাস্থ্যকে উপেক্ষা করেন। যদিও সিদ্ধার্থ যথাসম্ভব স্ত্রীকে সঙ্গ দিয়েছেন।

কিয়ারার কথায়, ‘‘তখন সিদ্ধার্থও ব্যস্ত ছিল সিনেমার প্রচার নিয়ে। গভীর রাতে বাড়ি ফিরত, বাচ্চা আর আমি বাড়িতে থাকতাম। সকালে আবার কাজে বেরিয়ে যেত। সেই সময়ে আমি ওকে ভীষণ মিস্ করতাম। সামান্য কিছু হলেই চোখে জল চলে আসত। একটুতেই কেঁদে ফেলতাম। আমি কোনও কথা বলার অবস্থায় থাকতাম না। মনে হত চিৎকার করে কাঁদি।’’ সেই সময়ে প্রতি রাতে কাজ থেকে ফিরে মেয়েকে ও কিয়ারাকে ঘুরতে বেরোতেন সিদ্ধার্থ। অভিনেত্রীর কথায়, “আসলে সরায়াহ ও আমার জীবনটা যেন একঘেয়ে হয়ে যাচ্ছিল। চিকিৎসকই পরামর্শ দেন যে, মেয়েকে নিয়ে বাড়ির বাইরে বেরোতে। বাইরের বাতাসে নিঃশ্বাস নেওয়া দরকার ওর। তখন প্রতি রাতে ঘুরতে নিয়ে যেত সিদ্ধার্থ।’’

Advertisement
আরও পড়ুন