Rumour Of Singer's Breakup

‘১০ বছর পরেও আমরা ঝকঝকে!’ সাত্যকির সঙ্গে ছুটিতে লগ্নজিতা, ভোটের ফলাফল নিয়ে উদগ্রীব

এক বছর পরে বেঙ্গালুরুতে স্বামীর সঙ্গে গরমের ছুটি কাটাচ্ছেন লগ্নজিতা। শ্বশুরবাড়ির বাকিরাও তাঁদের সঙ্গে হুল্লোড়ে ব্যস্ত।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা
শেষ আপডেট: ০১ মে ২০২৬ ১৮:৪৬
লগ্নজিতা চক্রবর্তী ও সাত্যকি সাহা।

লগ্নজিতা চক্রবর্তী ও সাত্যকি সাহা। ছবি: ফেসবুক।

নববর্ষে তাঁর আর স্বামীর পুরনো একটি ছবি ভাগ করে নিয়েছিলেন। বিবরণীতে কী কুক্ষণে যে লিখেছিলেন, “এই পুরনো ছবির মতো ঝাপসা নয়, ঝকঝকে হোক আপনাদের জীবন!” ব্যস! শহরে কান পাতলেই আবার গায়িকা লগ্নজিতা চক্রবর্তীর বিচ্ছেদের গুঞ্জন।

Advertisement

বাস্তবেও নাকি তাঁর আর সাত্যকি সাহার ১০ বছরের দাম্পত্য ‘ঝাপসা’? গায়িকা নাকি সে কথাই ইঙ্গিতে বোঝাতে চেয়েছেন!

এ দিকে আনন্দবাজার ডট কম-এর কাছে খবর, লগ্নজিতা এই মুহূর্তে বেঙ্গালুরুতে। সাত্যকির কাছে। সবিস্তার জানতে তাঁর সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করা হয়। বিষয়টি জেনে জোরে হেসে ওঠেন গায়িকা। লগ্নজিতার কথায়, “গত বছরের মতো এ বছরেও এই সময়ে সাত্যকি আর আমি একসঙ্গে ছুটি কাটাচ্ছি। মাঝে ও কলকাতায় এসেছিল। আমাদের নতুন বাড়ির গৃহপ্রবেশে। এ বার আমি ওর কাছে উড়ে এসেছি।” তার পরেই তাঁর রসিকতা, “১০ বছরের দাম্পত্য সত্যিই ‘ঝাপসা’ হওয়ার কথা। কিন্তু আমাদের জীবন সে রকম নয়। দিব্যি হই-হুল্লোড় করে দিন কাটাচ্ছি।” ভোট দিয়েই বেঙ্গালুরুতে উড়ে গিয়েছেন তিনি। লগ্নজিতা ভোটের ফলাফল জানতে উদগ্রীব। বললেন, “কলকাতার এই একটি খবরের বাইরে আর কিছুতে আগ্রহ নেই আপাতত।”

হইচই করার গল্পও শোনালেন। লগ্নজিতা জানালেন, মে দিবসের ছুটিতে তাঁর আর সাত্যকির কাছে সপরিবার বেড়াতে এসেছেন দেওর। “দেওরের একরত্তি ছেলেকে নিয়ে আমরা সবাই সাঁতার কাটতে নেমেছিলাম। অনেকটা সময় জলে কাটিয়ে ক্লান্ত হয়ে ছোট্ট ঘুমও দিয়ে নিলাম।” সঙ্গে ভালমন্দ খাওয়াদাওয়া আছেই।

লগ্নজিতার বিয়ে ভাঙার গুঞ্জন নতুন নয়। সাত্যকির সঙ্গে তাঁর এখনকার ছবিও দেখা যায় না সমাজমাধ্যমে। ফলে, এ বার নতুন বছরের শুভেচ্ছাবার্তায় বিচ্ছেদের আভাস খুঁজে পেয়েছেন তাঁর অনুরাগীরা! গায়িকা সে কথা জানিয়ে বললেন, “আমার মতো তুচ্ছ মানুষকে নিয়েও কেন যে এত মাথাব্যথা, বুঝতে পারি না!” বলতে বলতে ছেলেবেলার স্মৃতিতে ডুব দিয়েছেন। জানিয়েছেন, বছর দশেক আগের কথা। তখন মুঠোফোনের ক্যামেরা এত ভাল নয়। সেই ফোনে ছবি তুলেছিলেন। ফলে, ছবি এখনকার মতো ঝকঝকে ওঠেনি। সেই ছবি ভাগ করে তিনি এটাই বোঝাতে চেয়েছিলেন, এখনকার ক্যামেরায় তোলা ছবির মতো ঝকঝকে হোক সবার জীবন। বলতে বলতে হাসি তাঁর। গায়িকার আফসোস, “মানুষ সোজা কথা সোজা ভাবে নিলে তো!”

Advertisement
আরও পড়ুন