(বাঁ দিকে) রাঘব চড্ঢা, (ডান দিকে) পরিণীতি চোপড়া। ছবি: সংগৃহীত।
আম আদমি পার্টি (আপ)-র রাজ্যসভার সহকারী দলনেতা (ডেপুটি লিডার) পদ খুইয়েছেন রাঘব চড্ঢা। বলিউডে তাঁর পরিচয়, তিনি পরিণীতি চোপড়ার স্বামী। এমন আচমকা অপসারণের পরে সমাজমাধ্যমে এক ভিডিয়ো-বার্তায় আপ প্রধান অরবিন্দ কেজরীওয়ালের উদ্দেশে রাঘবের প্রশ্ন, ‘‘কেন আমাকে নীরব করার চেষ্টা হচ্ছে? আমি সবসময়ে জনগণের সমস্যার কথা তুলে ধরেছি। আমি কি কিছু ভুল করেছি?’’ এ বার স্বামীর ঢাল হয়ে দাঁড়ালেন পরিণীতি।
এই ঘটনার পর দু’দিন নীরব ছিলেন। সম্প্রতি সমাজমাধ্যমে একটি ভিডিয়ো দিয়ে রাঘব লেখেন, ‘‘নীরব, কিন্তু পরাজিত নই।’’ পরিণীতি চোপড়া প্রায়ই সমাজমাধ্যমে তাঁর স্বামী রাঘবের প্রশংসা করে পোস্ট দেন। সম্প্রতি, রাজ্যসভায় এই রাজনীতিবিদ পিতৃত্বকালীন ছুটি নিয়ে কথা বলছিলেন। অভিনেত্রী তখন ইনস্টাগ্রামে রাঘবের সেই ভিডিয়ো পোস্ট করে লেখেন, “আমার প্রিয় স্বামী, তুমি আজ শুধু একজন সাংসদ হিসাবে নয়, বরং সেই বাবা হিসাবে কথা বলেছ, যাকে আমি প্রতিদিন দেখি। আমরা এই বিষয়ে কত বার আলোচনা করেছি। আমাদের সন্তানের জন্য বাবা-মা দু’জনেরই সাধ্যমতো উপস্থিত থাকা প্রয়োজন। তাই তুমি আজ যখন এই বিষয়টা নিয়ে কথা বললে, তখন তা শুধু নীতি নিয়ে ছিল না। এর মধ্যে ছিল তোমার নিজের সন্তানের প্রতি তোমার দায়িত্ব। তোমাকে কখনও কিছু শিখিয়ে দিতে হয়নি। তুমি অভিভাবকত্ব বলতে যেটা বোঝো, সেটাই বোঝানোর চেষ্টা করেছ।’’ বারকয়েক তো পরিণীতি রাঘবকে ‘‘আমার প্রধানমন্ত্রী’’ বলেও ডেকেছেন। এখনও তিনি রাঘবের পাশে থাকার বার্তাই দিয়েছেন। যে যে বিষয়গুলি নিয়ে রাঘব সংসদে সরব হয়েছেন, তার একটা তালিকা দিয়েছেন।
ইতিমধ্যেই রাঘবের প্রশংসায় পঞ্চমুখ প্রিয়ঙ্কা চোপড়ার মা মধু চোপড়াও। এই ঘটনার পর অভিনেত্রী দিশা পটানীর দিদি খুশবুও রাজনীতিবিদকে অনুরোধ করে বসেন, তাঁর নিজের দল গঠন করার। এর আগে বিভিন্ন সামাজিক বিষয় নিয়ে যখন সংসদে সরব হয়েছেন রাঘব, তাঁর প্রশংসাই করেছে বলিউডের একটা অংশ।