Priyanka Chopra-Nick Jonas

বেগনি রঙের শরীর, আঙুলের চেয়েও ছোট মুখ কন্যা মালতীর! শিবমূর্তির সামনে কেঁদেছিলেন প্রিয়ঙ্কা-নিক

সারোগেসির মাধ্যমে মা হন অভিনেত্রী। মাত্র ২৭ সপ্তাহেই মালতীর জন্ম হবে বলে জানিয়ে দিয়েছিলেন চিকিৎসকেরা। উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছিলেন প্রিয়ঙ্কা ও নিক। কী হয়েছিল মনের অবস্থা?

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ২১:৩৬
মালতী বাঁচবে কি না জানতেন না প্রিয়ঙ্কা ও নিক!

মালতী বাঁচবে কি না জানতেন না প্রিয়ঙ্কা ও নিক! ছবি: সংগৃহীত।

জন্মের পরে কন্যা মালতী মেরি বাঁচবে কি না জানতেন না প্রিয়ঙ্কা চোপড়া। সারোগেসির মাধ্যমে মা হন অভিনেত্রী। মাত্র ২৭ সপ্তাহেই সন্তানের জন্ম হবে বলে জানিয়ে দিয়েছিলেন চিকিৎসকেরা। উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছিলেন প্রিয়ঙ্কা ও নিক। কী হয়েছিল মনের অবস্থা? জানালেন অভিনেত্রী।

Advertisement

২০২২ সালের ১৫ জানুয়ারি জন্ম মালতী মেরির। সেই খবর অনেক পরে প্রকাশ্যে এনেছিলেন নিক ও প্রিয়ঙ্কা। তখনও বাধ্য হয়েই মালতীর কথা প্রকাশ্যে আনতে হয়েছিল তাঁদের। জন্মের সময় মালতীর ওজন ছিল মাত্র ৭৬৬ গ্রাম। হাসপাতালে এনআইসিইউ-তে রাখা হয়েছিল মালতীকে। জীবনের অন্যতম কঠিন সময় এটি প্রিয়ঙ্কার জন্য।

সম্প্রতি এক পডকাস্টে প্রিয়ঙ্কা জানান, প্রায় তিন মাস ধরে তিনি এবং নিক সবকিছু স্থগিত রেখে প্রতিদিন মালতীকে দেখতে যেতেন। সেই সময়ে কোনও ভাবে তাঁদের কন্যার জন্মের খবর ফাঁস হয়ে যায়। প্রিয়ঙ্কা বলেন, “আমরা একটি বার্তা পাই যে মালতীর জন্মের খবর সংবাদপত্রে প্রকাশ করা হবে। যদি আমরা না জানাই, তা হলে তিন ঘণ্টার মধ্যে তারা এটি প্রকাশ করবে। তাই আমরা নিজেরাই ঘোষণা করতে বাধ্য হই, কারণ আমরা নিজেদের গল্প নিজেরাই বলতে চেয়েছিলাম। আমরা জানতাম না মালতীর কী হবে, বা সে আদৌ বাঁচবে কি না।”

সাধারণত শক্ত মনের মানুষ প্রিয়ঙ্কা। যে কোনও সমস্যার সমাধান খুঁজে বার করেন। কিন্তু মালতীর অবস্থা দেখে স্তব্ধ হয়ে যান তিনি। প্রিয়ঙ্কা জানান, জন্মের সময়ে মালতীর গায়ের রং বেগনি হয়ে গিয়েছিল এবং তাকে এনআইসিইউ-তে বিশেষ যত্নে রাখতে হত। হাসপাতালের নার্সদের আঙুলের চেয়েও তাঁর কন্যার মুখ ছোট ছিল।

কন্যাকে এ ভাবে দেখে ভেঙে পড়েছিলেন প্রিয়ঙ্কা ও নিক। তিনি বলেন, “আমাদের বাড়িতে একটি বড় মন্দির রয়েছে, যেখানে শিবের মূর্তি আছে। আমরা গোটা পরিবার তাঁর সামনে বসেছিলাম। সেই প্রথম আমি কেঁদেছিলাম, তবে ভয় থেকে নয়, কৃতজ্ঞতা থেকে। কারণ মালতী বাড়ি ফিরতে পেরেছিল।”

Advertisement
আরও পড়ুন