ক্যামেরাবন্দি সানা, মুফতি ও বসীর। ছবি: সংগৃহীত।
পরপুরুষের পাশে দাঁড়াতেও চান না সানা খান? সম্প্রতি একটি ভিডিয়ো দেখে এই প্রশ্নই তুলেছেন অনুরাগীরা। ২০২০ সালে দীর্ঘ কর্মজীবনে ইতি টেনেছিলেন সানা। বিনোদনজগত থেকে সরে জানিয়েছিলেন, অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে ইসলামের পথে চলতে চান। এর ক’দিনের মধ্যেই মুফতি আনাস সইদের সঙ্গে বিয়ে হয় তাঁর। তার পর থেকে বদলে গিয়েছে সানার পোশাকআশাক ও জীবনযাপন।
গত বছর সানা ও মুফতি আনাস মিলে একটি পডকাস্ট অনুষ্ঠান শুরু করেছিলেন। এ বছর তার দ্বিতীয় সিজ়ন। অতিথি হিসাবে একটি পর্বে উপস্থিত ছিলেন ‘বিগ বস্ ১৯’ খ্যাত বসীর আলি। অনুষ্ঠানের পরে ছবিশিকারিদের ক্যামেরায় ধরা দেন সানা, মুফতি ও বসীর। দেখা যায় মুফতির এক পাশে দাঁড়িয়ে সানা, অন্য পাশে বসীর। হাসিমুখেই তিনজন ছবি তুলতে থাকেন। এর পরে ছবিশিকারিরা সানাকে শুধু বসীরের সঙ্গে একটি ছবি তোলার অনুরোধ করেন। সঙ্গে সঙ্গে সেই অনুরোধ ফিরিয়ে দেন সানা। প্রাক্তন অভিনেত্রী বলেন, “না, আমি এমন ছবি তুলি না।” সঙ্গে সঙ্গে বসীর বলে ওঠেন, “আমাদের এমনই দূরত্ব থাকবে। আমরা তিনজন মিলেই একটা গ্রুপ।”
এই ভিডিয়ো দেখে কটাক্ষের মুখে পড়েছেন সানা। কেউ বলেছেন, “পরপুরুষের সঙ্গে ছবি তোলা মানা। কিন্তু একটা সময়ে ‘হেট স্টোরি ৩’-এর মতো ছবিতে অভিনয় করেছিলেন। মনে পড়ে গেল সব।” তবে প্রশংসাও করেছেন অনেকে। এক অনুরাগীর কথায়, “আপনাকে দেখে গর্ব হচ্ছে, সানা। আপনি ধর্মকে সম্মান করেছেন।”
২০১২ সালের ‘বিগ বস্’-এ অংশগ্রহণ করার পরে বিপুল জনপ্রিয়তা পান অভিনেত্রী। এর পরে ২০১৩ সালে সলমন খানের ‘জয় হো’ ছবিতে তাঁকে ছোট একটি চরিত্রে দেখা যায়। এক বছর পরে ‘ওয়াজাহ তুম হো’ ছবিতে অভিনয় করেন তিনি।