বিপাকে কপিল শর্মা। ছবি: ফেসবুক।
বিদেশের মাটিতেও নিরাপদ নন কপিল শর্মা? ঘটনা পরম্পরা যে সে দিকেই ইঙ্গিত করছে। তাঁর বিদেশের ক্যাফে দুষ্কৃতীদের নিশানায়। গত বছর তিন বার তাঁর ক্যাফে লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয়েছে। তার দায় নিয়েছে লরেন্স বিশ্নোই গ্যাং। খবর, অতি সম্প্রতি কপিলের ক্যাফের পাশের ক্যাফেতে গুলি চালানো হয়েছে। এ বারেও ‘টাইসন বিশ্নোই জোরা সিধু’ নামের একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে তার দায় স্বীকার করা হয়েছে।
ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে কিছু ছবি এবং ভিডিয়ো ভাগ করে নেওয়া হয়েছে। দাবি করা হয়েছে, এই হামলার দায় ওই দলটির। কপিলকে ভয় দেখাতেই এই কাণ্ড, দলের পক্ষ থেকে এ কথাও জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে হুমকিবার্তা দেওয়া হয়েছে কৌতুকশিল্পী কপিলকে। বার্তায় স্পষ্ট বলা হয়েছে, “কথা শোনো। লরেন্স বিশ্নোইয়ের নির্দেশ মানো। না হলে তোমার ক্যাফেগুলোর অবস্থাও এ রকমই হবে। আমাদের সময় নষ্ট কোরো না।” খবর, ঘটনাটি ব্রিটিশ কলম্বিয়ার সারেতে অবস্থিত ক্যাফে ‘চায় সুট্টা বার’-এ ঘটেছে। ক্যাফেটি কপিল শর্মার ক্যাফের কাছাকাছি অবস্থিত।
কেন কপিলের প্রতি এত ক্রোধ অন্ধকার দুনিয়ার বাদশা লরেন্সের? বলিউড বলছে, সৌজন্যে সলমন খান। কপিল তাঁর ‘দ্য গ্রেট ইন্ডিয়ান কপিল শো’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সলমনকে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। এর পরেই তিনি লরেন্সের নিশানায়। গ্যাংটির এক সদস্য সেই সময়ে কৌতুকশিল্পীকে সতর্ক করে বলেছিলেন, “যাঁরা সলমন খানের সঙ্গে কাজ করে, তাঁদের পরিণতি খুবই করুণ।” এর পরেই ২০২৫ সালের জুলাই, অগস্ট এবং অক্টোবরে তিন বার কপিলের ক্যাফে লক্ষ্য করে গুলি চালানোর ঘটনা ঘটে। প্রসঙ্গত, কপিলের ক্যাফে ব্রিটিশ কলম্বিয়ার সারেতে অবস্থিত।
তাঁর জীবন যে আর নিরাপদ নয়, সে কথা একাধিক সাক্ষাৎকারে স্বীকার করেছেন কপিল। বলেছিলেন, “আমার মনে হয়, সেখানকার (ব্রিটিশ কলম্বিয়ার সারে-র) নিয়মকানুন এবং পুলিশের হয়তো এই ধরনের ঘটনা নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা নেই।” ১৯৯৮-এ কৃষ্ণসার হরিণ হত্যা মামলা সলমন-বিশ্নোই গ্যাংয়ের শত্রুতার নেপথ্য কারণ। এর জন্য সলমনের উপরেও একাধিক বার হামলা চালানোর চেষ্টা হয়েছে। ছাড় পান না তাঁর ঘনিষ্ঠরাও।