কী দাবি পরিচালক বিশালের? ছবি: সংগৃহীত।
ওয়েব সিরিজ়ে অনেক দৃশ্যেই ‘নিষিদ্ধ’ শব্দের ব্যবহার হয়ে থাকে। কিন্তু ‘সেন্সর বোর্ড’-এর চোখ রাঙানির জন্য বড়পর্দা এখনও সেই ছাড়পত্র পায়নি। ফলে কোনও দৃশ্যে ‘নিষিদ্ধ’ শব্দ ব্যবহার করলেও সেই অংশটুকুর আওয়াজ বন্ধ করে দিতে হয়। এ বার এই নিয়েই প্রশ্ন তুললেন পরিচালক বিশাল ভরদ্বাজ। কী দাবি পরিচালকের?
এই মুহূর্তে বিশাল ব্যস্ত ‘ও রোমিয়ো’ ছবির প্রচারে। সেখানেই এই প্রসঙ্গ ওঠে। তখনই পরিচালকের দাবি, রাস্তাঘাটে মানুষ যদি কোনও কিছু না ভেবে খারাপ শব্দের ব্যবহার করতে পারেন, তা হলে তা ছবিতে দেখালে অসুবিধা কোথায়? বিশাল বলেন, “বাস্তব সমাজ থেকেই পর্দায় গল্প তুলে ধরা হয়। সিনেমাই সমাজকে আয়না দেখায়। এখন যদি ছবিতে গার্হস্থ্য হিংসার ছবি তুলে ধরা হয়, তা হলে মেনে নিতে হবে আমাদের সমাজেও কোথাও না কোথাও এই ঘটনা ঘটছে। তাই ছবির দৃশ্যে ‘নিষিদ্ধ’ শব্দ ব্যবহারের ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করার মানেই হয় না। এর থেকে প্রমাণিত হয় আমাদের সমাজ কতটা ভণ্ড।”
একই সঙ্গে প্রবীণ অভিনেত্রী ফরিদা জালালের উদাহরণও দেন পরিচালক। ‘ও রোমিয়ো’ ছবিতে শাহিদ কপূরের ঠাকুরমার চরিত্রে অভিনয় করেছেন তিনি। চিত্রনাট্যের প্রয়োজনে ফরিদার চরিত্রের সংলাপে বেশ কিছু ‘নিষিদ্ধ’ শব্দের ব্যবহার করতে হয়েছে। সেই জন্য পরিচালক প্রথমে কিছুটা অস্বস্তিতেই ছিলেন। বিশাল বলেন, “ফরিদাজিকে সবটা জানিয়েছিলাম। চরিত্রের জন্য অল্পবিস্তর খারাপ শব্দ ব্যবহার করতে হতে পারে। প্রথমে প্রশ্ন করলেও তিনি রাজি হয়ে যান।” পরিচালক মনে করেন, খারাপ শব্দ যদি সঠিক ভাবে ব্যবহার করা যায় তা হলে তা কবিতার মতো শুনতে লাগে। ১৩ ফেব্রুয়ারি বড়পর্দায় মুক্তি পাবে বিশাল-শাহিদ জুটির ‘ও রোমিয়ো’।