যশ ও বেয়াট্রিজ় টফেনবাকের ঘনিষ্ঠ দৃশ্য নিয়ে বিতর্ক। ছবি: সংগৃহীত।
পর্দায় অতিঘনিষ্ঠ দৃশ্য নিয়ে একসময়ে মন্তব্য করেছিলেন যশ। ‘টক্সিক: এ ফেয়ারিটেল ফর গ্রোন-আপ্স’-এর ঝলক নিয়ে বিতর্ক শুরু হতেই দক্ষিণী তারকার সেই মন্তব্য ফের আলোচনায় উঠে এসেছে।
এই ছবি নাকি ‘অ্যানিম্যাল’-কেও ছাপিয়ে যাবে, এমনই শোনা যাচ্ছে। ঝলক মুক্তি পেতেই এই ছবির সঙ্গেও জুড়েছে ‘নারীবিদ্বেষী’ তকমা। শত্রুদের দমন করার সময়েও কেন একজন নারীর সঙ্গে সঙ্গমদৃশ্য দেখানো হল, তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন। গোরস্থানে গোলাগুলির দৃশ্যের মাঝে কী ভাবে শুধু একটি যৌনদৃশ্যের জন্য এক নারীকে ব্যবহার করা হল, তা নিয়েও সমালোচনা হচ্ছে। এমনকি, সেই দৃশ্য সমাজমাধ্যম ও নেটপাড়া থেকে সরিয়ে ফেলার দাবিও উঠেছে। এই দৃশ্য ভারতীয় সংস্কৃতিকে নষ্ট করছে বলে দাবি বিভিন্ন সংগঠন থেকে নেটাগরিকের। কিন্তু একসময়ে যশ নিজে দাবি করেছিলেন, তিনি এমন দৃশ্যে অভিনয় করবেন না, যা বাবা-মায়ের সঙ্গে বসে দেখা যায় না।
এক সাক্ষাৎকারে দক্ষিণী তারকা বলেছিলেন, “আমি এমন কোনও দৃশ্যে কোনও দিন অভিনয় করব না, যা আমি আমার বাবা ও মায়ের সঙ্গে বসে দেখতে পারব না।” সেই সাক্ষাৎকারের একটি অংশ সমাজমাধ্যমে ভাইরাল হতেই নেটাগরিকের একাংশ তাঁকে কটাক্ষ করছেন। তাঁদের প্রশ্ন, “আগে থেকেই এমন প্রতিজ্ঞা করেন কেন, যখন রাখতেই পারেন না!” তবে অনেকে আবার যশের সমর্থনেও কথা বলেছেন। তাঁদের বক্তব্য, “সময়ের সঙ্গে মানুষের মধ্যে বদল আসে। দৃষ্টিভঙ্গিও বদলে যায়। মানুষের বিবর্তন হওয়াই তো স্বাভাবিক। এই সময়ে দাঁড়িয়ে ওঁর এই ঘনিষ্ঠ দৃশ্যে অভিনয় করা ঠিক মনে হয়েছে।” আর এক নেটাগরিকের কথায়, “পছন্দ না হলে ছবি দেখবেন না। মিটে গেল। তবে সমালোচনা করতে হলে গোটা ছবিটা দেখুন।”
যশের সঙ্গে এই উদ্দাম যৌনতার দৃশ্যে দেখা গিয়েছে বেয়াট্রিজ় টফেনবাককে। তাঁরা ছাড়াও এই ছবিতে রয়েছেন কিয়ারা আডবাণী, নয়নতারা, রুক্মিণী, তারা সুতারিয়া, হুমা কুরেশি ও নওয়াজ়উদ্দীন সিদ্দীকী।