PV Sindhu Fitness Tips

২০ ঘণ্টা ব্যায়াম, গ্লুটেনহীন ডায়েট! ফিট থাকতে আর কী করেন পিভি সিন্ধু? অবসর কাটান স্বামীর সঙ্গে

নিয়মিত শরীরচর্চা, স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস এবং মানসিক সুস্বাস্থ্যকে বজায় রাখার বিষয়ে যথেষ্ট সচেতন সিন্ধু। কেবল কোর্টে র‌্যাকেট চালানো নিয়েই ভাবেন না, কোর্টের বাইরের জীবনকেও সুন্দর করে গোছানোয় বিশ্বাসী তারকা খেলোয়াড়।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ১৩ এপ্রিল ২০২৬ ১৪:০০
পিভি সিন্ধুর ফিটনেস যাত্রা।

পিভি সিন্ধুর ফিটনেস যাত্রা। ছবি: ফেসবুক

ফিটনেস মানেই শুধু শরীরচর্চা নয়। মনের যত্ন, ধৈর্য আর নিয়মিত অভ্যাস— এই তিনের মিলেই তৈরি হয় প্রকৃত সুস্থ জীবনযাপন। এই দর্শনই নিজের জীবনে মেনে চলেন ব্যাডমিন্টন তারকা পিভি সিন্ধু। ফিট থাকা তাঁর কাছে কোনও আলাদা কাজ বা দায়িত্ব নয়। রোজের জীবনের অংশ সেটি। সপ্তাহে প্রায় ২০-২৫ ঘণ্টা তিনি অনুশীলনের মধ্যেই থাকেন। তবে শুধু সময় কতটা দিচ্ছেন, সেটিই নয়, অনুশীলনের মান কতটা ভাল, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ। শরীরকে কতটা সক্রিয় রাখছেন, কতটা ধারাবাহিকতা বজায় রাখছেন, এই দিকগুলিতেই জোর দেন দেশের তারকা ব্যাডমিন্টন খেলোয়াড়।

Advertisement

নিয়মিত শরীরচর্চা, স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস এবং মানসিক সুস্বাস্থ্যকে বজায় রাখার বিষয়ে যথেষ্ট সচেতন সিন্ধু। কেবল কোর্টে র‌্যাকেট চালানো নিয়েই ভাবেন না, কোর্টের বাইরের জীবনকেও সুন্দর করে গোছানোয় বিশ্বাসী তিনি।

ফাঁকা সময়ে কী করেন সিন্ধু?

ফাঁকা সময়ে কী করেন সিন্ধু? ছবি: সংগৃহীত

খেলাধুলা মানেই শুধু ঘণ্টার পর ঘণ্টা অনুশীলন নয়। নেপথ্যে থাকে শৃঙ্খলা, বিজ্ঞান আর শরীরকে বোঝার সূক্ষ্ম ক্ষমতা। এক জন অ্যাথলিটের কাছে ফিটনেস মানে প্রতি দিনের অনুশীলন, খাওয়া, বিশ্রাম। সব কিছু মিলিয়েই তৈরি হয় পারফরম্যান্সের ভিত। পিভি-র শারীরিক অনুশীলনের প্রতিটি দিক দেখভাল করেন পারফরম্যান্স প্রধান ওয়েন লোমবার্ড। তাঁর সঙ্গে আলোচনা করেই এমন ট্রেনিংয়ের পরিকল্পনা তৈরি হয়।

ব্যাডমিন্টনের মতো খেলায় একসঙ্গে সহনশীলতা, গতি আর শক্তির প্রয়োজন পড়ে। তাই সিন্ধুর অনুশীলনের মধ্যে থাকে কোর্টে খেলা, জিমে শক্তি বাড়ানোর ট্রেনিং, গতিশীলতা বাড়ানোর ড্রিল, শরীর নমনীয় রাখার ব্যায়াম এবং পেশিকে বিশ্রাম দেওয়ার পর্ব। লক্ষ্য একটিই, শারীরিক দক্ষতা বাড়ানো, অথচ শরীরকে ক্লান্ত না করা।

খাবারের ভূমিকা এখানে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। গত কয়েক বছরে পুষ্টিবিদের পরামর্শে নানা ধরনের ডায়েট নিয়ে পরীক্ষানিরীক্ষা করেছেন পিভি। এখন তিনি যা-ই খান, তা গ্লুটেন এবং ল্যাক্টোজ়হীন। এতে শরীর হালকা লাগে এবং অনুশীলনের পর পুনরুদ্ধারও ভাল হয় বলে দাবি তাঁর। প্রোটিন তাঁর খাদ্যাভ্যাসের একটি বড় অংশ। প্রতি দিন প্রায় ১৪০-১৫০ গ্রাম প্রোটিন খান তিনি। যাতে পেশি ঠিক থাকে এবং কঠিন অনুশীলনের পরে পেশি পুনরুদ্ধার করা সম্ভব হয়। পিভির কথায়, ‘‘কিছু খাবার যদি ডায়েট থেকে বাদ পড়ে যায়, তা হলে রোজের খাওয়াদাওয়ায় নতুনত্ব আনা একটু কঠিন। কিন্তু এক বার যদি বুঝে যান, নিজের শরীরের জন্য কী ভাল, তা হলে শরীরে বদলটা ভীষণ স্পষ্ট ভাবে চোখে পড়বে।’’

Advertisement
আরও পড়ুন