Prostate Infection

প্রস্টেটের সমস্যা হানা দিতে পারে যে কোনও সময়েই, কোন বয়সে কী কী লক্ষণ চিনে সতর্ক থাকতে হবে?

চল্লিশের পর থেকে অনেক বেশি সচেতন থাকতে হবে পুরুষদের। ওই বয়সের পরেই প্রস্টেটে ক্যানসার হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে। তা ছাড়াও আরও অনেক রকম সমস্যাই হতে পারে। তাই বয়স অনুযায়ী লক্ষণ চিনে সতর্ক হতে হবে।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৩:০৮
প্রস্টেট সংক্রমণের ঝুঁকি এড়াতে কী কী লক্ষণ চিনবেন?

প্রস্টেট সংক্রমণের ঝুঁকি এড়াতে কী কী লক্ষণ চিনবেন? ফাইল চিত্র।

পুরুষদের ক্ষেত্রে প্রস্টেটের সমস্যা অত্যন্ত সাধারণ একটি বিষয়, বিশেষ করে বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে সমস্যা আরও বাড়ে। তবে এখন কম বয়সেও হানা দিচ্ছে প্রস্টেটের নানা সংক্রমণ জনিত রোগ। অনেক সময়ে লক্ষণ দেখা দিলেও তা এড়িয়েই চলেন অনেকে। ফলে সংক্রমণ বাড়তে থাকে। পরবর্তী সময়ে গিয়ে যা প্রস্টেট ক্যানসারের রূপ নিতে পারে।

Advertisement

প্রস্টেটের সমস্যা তিন ধরনের হতে পারে— প্রস্টেট গ্রন্থির বৃদ্ধি, প্রস্টেটাইটিস ও প্রস্টেট ক্যানসার। যে কোনও বয়সেই পুরুষেরা প্রস্টেটের সমস্যায় আক্রান্ত হতে পারেন। তবে বয়স ৫০-এর কোঠা পেরোলে প্রস্টেট ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ে। সেই কারণে এই রোগের লক্ষণগুলির ব্যাপারে জেনে রাখা জরুরি। লক্ষণ জানা থাকলে রোগ চিনতে অনেকটা সুবিধা হয়।

কোন বয়সে কী লক্ষণ চিনবেন?

বয়স ২৫ থেকে ৪০ বছর

প্রস্রাবের সময় তীব্র জ্বালাযন্ত্রণা।তলপেটে প্রচণ্ড ব্যথা।

প্রস্রাবের সঙ্গে রক্ত বার হওয়া।

মাঝেমধ্যেই জ্বর আসা।

৪০ থেকে ৬০ বছর

প্রস্রাবের বেগ যখন তখন আসবে, অনেকেই ডায়াবিটিস ভেবে ভুল করেন।

প্রস্রাবের সময়ে জ্বালা।

মূত্রনালিতে মাঝেম্যেই সংক্রমণ।

৬০ বছরে উর্ধ্বে

কোমর, তলপেটে অস্বাভাবিক ব্যথা হবে।

প্রবল বেগে প্রস্রাব পেলেও শুরু হতে দেরি হয় এবং ধারা ক্ষীণ হয়ে পড়ে।

প্রস্রাবের সময় জ্বালা ও ব্যথা হতে পারে। রাতে বারে বারে প্রস্রাবের বেগ আসবে।

প্রস্রাবের সঙ্গে রক্ত বেরোতে পারে, একে বলে হিমাচ্যুরিয়া।

মূত্রথলিতে পাথর হওয়ার লক্ষণও দেখা দিতে পারে।

কী কী পরীক্ষা করাবেন?

প্রস্টেটের অসুখ সন্দেহ হলে কিছু পরীক্ষা করিয়ে নিতে হবে। পিএসএ অর্থাৎ প্রস্টেট স্পেসিফিক অ্যান্টিজেন পরীক্ষা করানো প্রয়োজন।

এর পরে যে পরীক্ষাটি করাতে হবে তা হল, আলট্রা সোনোগ্রাফি (ইউএসজি)। এই পরীক্ষায় প্রস্টেটের মাপ বোঝা যাবে। বোঝা যাবে, প্রস্টেটটি বড় হয়েছে কি না। যদি দেখা যায় প্রস্টেটটি অস্বাভাবিক ভাবে বেড়ে গিয়েছে, তা হলে পরের ধাপে হিস্টোপ্যাথোলজিক্যাল পরীক্ষা শুরু করা হবে।

চল্লিশের পরে কোলোনোস্কোপি করিয়ে রাখা খুব জরুরি। অ্যাবডোমিন্যাল আলট্রাসাউন্ড পরীক্ষাতেও প্রস্টেট গ্ল্যান্ডের অস্বাভাবিকতা ধরা পড়ে।

Advertisement
আরও পড়ুন