Thigh Fat

মেয়েদের ঊরুতে বেশি মেদ জমে কেন? কমবে নিয়মিত কিছু সহজ স্ট্রেচিং ও যোগাসনে

অনেক মহিলারই শরীরের নিম্নাংশে মেদ জমে বেশি। পেট, কোমর, ঊরুর মেদ কমাতে কার্ডিয়ো করার প্রয়োজন নেই। জিমে ছুটতেও হবে না। যোগাসনেই সমস্যার সমাধান হবে।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ১১ মে ২০২৬ ১৭:৫০
Tone your thighs, these simple Yoga Poses and Stretches to reduce Leg fat

ঊরুর মেদ কমানোর সহজ কিছু ব্যায়াম। ছবি: এআই সহায়তায় প্রণীত।

তলপেট ও ঊরুর নাছোড়বান্দা মেদ নিয়ে চিন্তা থাকে প্রায় সব মহিলারই। শরীরের নিম্নাংশে মেদ জমার প্রবণতা মহিলাদের বেশি। ‘ন্যাশনাল সেন্টার ফর বায়োটেকনোলজি ইনফরমেশন’-এর তথ্য বলছে, দেশের নানা রাজ্যে সমীক্ষা চালিয়ে দেখা গিয়েছে, ১১ শতাংশের বেশি মহিলা এমন শারীরিক সমস্যার শিকার। ওবেসিটি বা স্থূলতা একে ঠিক বলা যাবে না। চিকিৎসা বিজ্ঞানের পরিভাষায় একে বলা হয় ‘লিপেডেমা’। এ ক্ষেত্রে শরীরের নিম্নাংশেই ত্বকের নীচে চর্বির স্তর জমতে শুরু করে। কারও কোমর, নিতম্ব ও তলপেটে বেশি মেদ জমে যায়, ঊরুতে তেমন ভাবে জমে না। আবার কারও নিতম্ব ও ঊরুতে যতটা বেশি চর্বির স্তর জমে ততটা পেট বা দুই বাহুতে জমে না। পুরোটাই সামঞ্জস্যহীন ভাবে হয়। আর এই মেদ কমানোও খুব কষ্টকর। শরীরের গঠনই নষ্ট হয়ে যায়।

Advertisement

লিপেডেমা কমাতে হলে স্ট্রেচিং ও নিয়ম মেনে যোগাসন করতে হবে। এর জন্য জিমে গিয়ে ভারী ওজন তোলার প্রয়োজন নেই। বাড়িতে ব্যায়াম করলেই উপকার হবে। তবে কী ধরনের ব্যায়াম করবেন, তা জেনে রাখা জরুরি।

ডিএমটি সার্কিট

অল্প সময়ের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ভাবে ‘ক্যালোরি বার্ন’ করতে ডিএমটি বা ‘ডায়নামিক মুভমেন্ট ট্রেনিং’ খুব ভাল ব্যায়াম। এর মধ্যে অনেকগুলি ব্যায়াম পড়ে যেমন—বার্পিস, মাউন্টেস ক্লাইম্বার্স, স্কোয়াট জাম্প, হাই নি ইত্যাদি। বার্পিসে আবার চার ধরনের ব্যায়াম করা যায় যেমন জাম্প, স্কোয়াট, পুশ আপ এবং প্ল্যাঙ্ক। এই ব্যায়াম বুক, হাত, পা এবং মূল পেশি-সহ একাধিক পেশিকে শক্ত করে তোলে। হজমশক্তি বাড়ায়। স্কোয়াট জাম্প পা, নিতম্ব শক্তিশালী করতে সাহায্য করে।

চক্রপদাসন

ম্যাটের উপর পা সোজা করে টানটান হয়ে শুয়ে পড়ুন। দুই হাত রাখুন পাশে। এ বার বাঁ পা মাটিতে সোজা রেখে ডান পা মাটি থেকে ৩–৫ ইঞ্চি আন্দাজে উপরে তুলুন। হাঁটু মুড়লে হবে না। পা সোজা ও টানটান থাকবে। ঘড়ির কাঁটার দিক অনুযায়ী ডান পা ঘোরাতে হবে। চেষ্টা করুন ৫-৭ বার বড় বড় বৃত্তে পা ঘোরানোর। গোল গোল করে পা ঘোরাতে হবে, গোড়ালি যেন মাটিতে না ঠেকে। পা নামিয়ে কয়েক সেকেন্ড বিশ্রাম নিন। আবারও একই উচ্চতায় ডান পা তুলে ঘড়ির কাঁটার বিপরীতে একই ভাবে বৃত্তাকারে পা ঘোরাতে হবে। সেটিও ৫-৭ বার করুন।

উপবিষ্ট কোণাসন

ম্যাটের উপর দু’পা সামনের দিকে ছড়িয়ে পিঠ সোজা রেখে বসুন। এ বার দুই পা দু’পাশে যতদূর সম্ভব প্রসারিত করুন। ৯০ ডিগ্রি কোণ তৈরি করতে পারলে সবচেয়ে ভাল হয়। দুই পা প্রসারিত করে দুই হাত দিয়ে দুই পায়ের আঙুল ধরতে হবে। এর পর ধীরে ধীরে মাথা ঝুঁকিয়ে মাটিতে স্পর্শ করুন। ২০ সেকেন্ড ওই ভঙ্গিতে থেকে আবার আগের অবস্থানে ফিরে আসুন।

Advertisement
আরও পড়ুন