আপেল চায়ে চুমুক দিলে কী কী লাভ হবে? ছবি: সংগৃহীত।
অসম চা, দার্জিলিং চা-এর কদর স্বাদ এবং সুগন্ধের জন্য। সেই চায়ের কদর চা-প্রেমীদের কাছে কখনওই কমবে না। তবে ইদানীং কেবল স্বাদের জন্যই নয়, স্বাস্থ্যের কথা ভেবেও চা খাচ্ছেন স্বাস্থ্যসচেতনেরা। রকমারি চায়ের চাহিদা তৈরি হচ্ছে স্বাস্থ্য ভাল রাখতে। বাজারে আসছে বিবিধ গুণসম্পন্ন ‘ভেষজ চা’। ব্লু টি, ক্যামোমাইল চা, জবা চা, মাচা চায়ের পাশাপাশি সেই তালিকায় রয়েছে অ্যাপল টি বা আপেল চা। দুধ চা বা লাল চায়ের বদলে এখন অনেকেই চুমুক দিচ্ছেন আপেল চায়ে। কী কী উপকার হচ্ছে শরীরের?
১) ডায়াবিটিসের সমস্যা এখন ঘরে ঘরে। ডায়াবেটিক রোগীরা রক্তের শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে আপেল চায়ে চুমুক দিতে পারেন।
২) সারা বছর ধরে যাঁরা কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যায় ভোগেন, তাঁদের ক্ষেত্রেও আপেল চা বেশ কাজের। হজমশক্তি বৃদ্ধি করতে এই চা দারুণ উপকারী। হজম ভাল হলে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যাও কমবে।
৩) আপেল চায়ে ভাল মাত্রায় ম্যাগনেশিয়াম, পটাশিয়াম, ভিটামিন সি আর সোডিয়াম থাকে। হাড়ের স্বাস্থ্যরক্ষায় এই উপাদানগুলি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এই চারটি পুষ্টি উপাদান হাড়ের ঘনত্ব বজায় রাখতে, কোলাজেন গঠনে এবং শরীরের অম্ল-ক্ষারকের ভারসাম্য রক্ষায় সাহায্য করে।
৪) আপেল চায়ে ভরপুর মাত্রায় অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট থাকে। রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে এই চা দারুণ উপকারী।
৫) আপেল চায়ে ফ্ল্যাভোনয়েড থাকে। চোখ ভাল রাখতে এবং চোখজনিত অসুখের ঝুঁকি কমাতে ফ্ল্যাভোনয়েড সাহায্য করে।
কী ভাবে বানাবেন?
বাজারে যে প্যাকেটজাত আপেল চা পাতাগুলি পাওয়া যায়, সেগুলির বেশির ভাগেই শুধুমাত্র ফ্লেভার যোগ করা থাকে। তাই আপেল চায়ের গুণাগুণ পেতে বাড়িতেই বানিয়ে ফেলুন অ্যাপল টি।
গরম জলে বেশ খানিক ক্ষণ আপেলকুচি ফুটিয়ে নিন। এ বার সেই মিশ্রণে মিশিয়ে দিন এক চিমটে দারচিনির গুঁড়ো। আপেল সেদ্ধ হয় গেলে মিশ্রণটি ছেঁকে নিন। সাধারণ যে কোনও টি ব্যাগ দিয়ে ভিজিয়ে রাখুন মিনিট দুয়েক। তার পর গরম গরম চায়ে চুমুক দিন।